বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনে আশাবাদী ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা

বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনে আশাবাদী ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা

বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনে আশাবাদী ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশে সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠনকে স্বাগত জানিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা।

আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একটি সরকার এখন বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণ করবে—এটি সবার জন্যই সুখবর।

তিনি বলেন, “আগামী দিনে যিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন, তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। আমি আশা করি, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দৃঢ় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতেও সমানভাবে বিকশিত হবে।”

ত্রিপুরার ভৌগোলিক অবস্থানের কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের তিন দিকজুড়ে বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। ফলে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ত্রিপুরার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। “আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ইতিহাস গভীরভাবে একসূত্রে গাঁথা। অতীতেও আমরা সৌহার্দ্যপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছি,” বলেন তিনি।

মানিক সাহা আরও বলেন, নতুন সরকার গঠনের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন গতি পাবে এবং সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হবে।

তিনি দেশভাগের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “দেশভাগের পর অনেক পরিবার দুই পাশে বিভক্ত হয়ে গেছে। সীমান্তের দু’পারে আত্মীয়স্বজন বাস করেন। আমি বিশ্বাস করি, নতুন সরকারের অধীনে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্বের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।”

উল্লেখ্য, ত্রিপুরা রাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। ফলে বাণিজ্য, যোগাযোগ, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও মানুষে-মানুষে সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই সীমান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *