যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সার্জেন্ট জহুরুল হক–এর ৫৭তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সার্জেন্ট জহুরুল হক–এর ৫৭তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সার্জেন্ট জহুরুল হক–এর ৫৭তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে শহিদ সার্জেন্ট জহুরুল হকের ৫৭তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁর আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।

১৯৬৯ সালের এই দিনে তৎকালীন পাকিস্তান বিমান বাহিনীর বাঙালি সদস্য সার্জেন্ট জহুরুল হক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় ঢাকা সেনানিবাসে আটক অবস্থায় পাকিস্তানি সৈনিকের গুলিতে নিহত হন। সে সময়ের গণঅভ্যুত্থানের উত্তাল প্রেক্ষাপটে তাঁর মৃত্যু দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং স্বাধিকার আন্দোলনকে আরও বেগবান করে।

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সার্জেন্ট জহুরুল হক–এর ৫৭তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত

সার্জেন্ট জহুরুল হক ১৯৬৭ সালের ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তান সরকারের দায়ের করা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার হন এবং প্রথমে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক থাকেন। পরবর্তীতে এয়ারফোর্স অ্যাক্ট অনুযায়ী তাঁকে ঢাকা সেনানিবাসে স্থানান্তর করা হয়। ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের মুখে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন। তবে মামলা প্রত্যাহারের পূর্ব মুহূর্তেই ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি বন্দি অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।

দেশের মুক্তি সংগ্রামে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর একটি আবাসিক হলের নামকরণ করা হয় ‘সার্জেন্ট জহুরুল হক হল’। এছাড়া ১৯৮২ সালে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটির নামকরণ করা হয় ‘বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হক’। ২০১৮ সালে তাঁকে মরণোত্তরভাবে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করে সরকার।

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সার্জেন্ট জহুরুল হক–এর ৫৭তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত

শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রামস্থ বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হকের কেন্দ্রীয় মসজিদে বাদ মাগরিব মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মিলাদ শেষে শহিদের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠানে ঘাঁটির এয়ার অধিনায়ক এয়ার ভাইস মার্শাল মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিমানসেনা ও অন্যান্য পদবীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।