মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিলে সন্তোষ: পার্বত্য চট্টগ্রামের অখণ্ডতা ইস্যুতে জোর ‘স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি’র
![]()
নিউজ ডেস্ক
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ–২০২৫ বাতিলের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি। সংগঠনটি বলেছে, বিতর্কিত ওই অধ্যাদেশে পার্বত্য চট্টগ্রামের অখণ্ডতা ও দেশীয় মূল্যবোধের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা ছিল।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে সংগঠনটির আহ্বায়ক মুহম্মদ জিয়াউল হক বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রণীত অধ্যাদেশটি গভীরভাবে পর্যালোচনা করে তারা দেখেছেন, এতে দেশের সার্বভৌমত্ব, ঐতিহ্য ও সমতা ভিত্তিক মানবাধিকারের চেতনার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিভিন্ন ধারা অন্তর্ভুক্ত ছিল। বিশেষ করে কিছু প্রস্তাবিত কোটা ব্যবস্থা পার্বত্য চট্টগ্রামের ভৌগোলিক ও সামাজিক ভারসাম্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারত বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, উক্ত অধ্যাদেশে দেশীয় মূল্যবোধ ও সামগ্রিক মানবিক মর্যাদার বিষয়টি উপেক্ষা করে সীমিত কিছু গোষ্ঠীর ভাবাদর্শকে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এতে করে দেশের সকল নাগরিকের সমান অধিকারের প্রশ্নটি আড়াল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
সংগঠনটির মতে, পার্বত্য চট্টগ্রাম একটি সংবেদনশীল অঞ্চল, যেখানে যেকোনো নীতিনির্ধারণে ভারসাম্য, বাস্তবতা ও জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অধ্যাদেশটির কিছু ধারা সেই ভারসাম্য নষ্ট করতে পারত এবং দীর্ঘমেয়াদে সামাজিক ও প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি করতে পারত বলে তারা দাবি করেছে।
স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি সরকারের এই সিদ্ধান্তকে দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করে একটি নতুন, কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছে। যেখানে কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী নয়, বরং দেশের সকল মানুষের সমান মানবাধিকারের নিশ্চয়তা প্রতিফলিত হবে বলে তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করে।
প্রসঙ্গত, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ–২০২৫ বাতিলকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে, যেখানে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সংবেদনশীল অঞ্চলের বিষয়গুলো নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।