শান্তি আলোচনার জন্য ফের পাকিস্তানে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল: হোয়াইট হাউস
![]()
নিউজ ডেস্ক
ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তান যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার। শনিবার (২৫ এপ্রিল) তারা ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা করবেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এ খবর নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমি নিশ্চিত করে বলছি, আলোচনার উদ্দেশ্যে বিশেষ দূত উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার আগামীকাল সকালে আবারও পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা দেবেন।’
ক্যারোলিন লেভিট আরও বলেন, ‘ইরানিরা আলোচনা করতে চায়। আলোচনা সফল হলে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স পাকিস্তান সফরের জন্য প্রস্তুত রয়েছেন।’
এদিকে শুক্রবার রাতে পাকিস্তানে পৌঁছেছে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদল। এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের প্রতিনিধিরা পাকিস্তানের পৌঁছানোর পর দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরসহ দেশটির জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সেখানে সর্বশেষ আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং ‘আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার চলমান প্রচেষ্টা’ নিয়ে আলোচনা হবে।
এরইমধ্যে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। সামাজিক মাধ্যমে দেয়া পোস্টে তিনি লেখেন, ইসলামাবাদে ইরানের পর্যবেক্ষণ বা বক্তব্যগুলো পাকিস্তানের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে। আব্বাস আরাঘচি কেবল পাকিস্তানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
বাঘাইয়ের মন্তব্যের আগে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, তেহরানের কাছে এখনও একটি ‘ভালো চুক্তি’ করার সুযোগ রয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘তাদের শুধু পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করতে হবে এবং তা করতে হবে অর্থপূর্ণ ও যাচাইযোগ্য উপায়ে।’
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর গত ১১ ও ১২ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু প্রায় ২১ ঘণ্টার আলোচনার পরও কোনো সমঝোতা ছাড়া শেষ হয় বৈঠক।
এরপর হরমুজ প্রণালি ও ইরানি বন্দরগুলোতে পাল্টা নৌ অবরোধ আরোপের ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। যা গত ১৩ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়। এতে উত্তেজনা আরও বাড়ে।
এরমধ্যেই তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে দ্বিতীয় দফার বৈঠকের জন্য চেষ্টা করছে প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান। সেই লক্ষ্যে চলতি সপ্তাহের শুরু থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয় পাকিস্তান। ইসলামাবাদ ও পাশের শহর রাওয়ালপিন্ডিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।