দেবাশীষ রায়ের ২য় স্ত্রী ইয়েন ইয়েনের পক্ষে সশস্ত্র গোষ্ঠী ইউপিডিএফের বিবৃতি

দেবাশীষ রায়ের ২য় স্ত্রী ইয়েন ইয়েনের পক্ষে সশস্ত্র গোষ্ঠী ইউপিডিএফের বিবৃতি

দেবাশীষ রায়ের ২য় স্ত্রী ইয়েন ইয়েনের পক্ষে সশস্ত্র গোষ্ঠী ইউপিডিএফের বিবৃতি
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

রাঙামাটির চাকমা সার্কেল চীফ ব্যারিষ্টার দেবাশীষ রায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী ইয়েন ইয়েনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে পার্বত্য চুক্তিবিরোধী প্রসীত বিকাশ খীসার নেতৃত্বাধীন পাহাড়ের উপজাতিভিত্তিক আঞ্চলিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)।

মত প্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে নিন্দা জানিয়েছে সংগঠনটি।

রোববার (২৬ এপ্রিল) ফেসবুকে পোষ্ট করে সংগঠনটির মুখপাত্র অংগ্য মারমা দাবি করেন, রাঙামাটি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাজমা আশরাফী কর্তৃক গত ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ইয়েন ইয়েনকে প্রেরিত একটি চিঠি সংবিধান পরিপন্থী এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ।

বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ সরকার ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে “অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য” প্রচার না করার বিষয়ে দেওয়া ওই চিঠির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ইউপিডিএফের মতে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরার অধিকার সকল নাগরিকের রয়েছে এবং এটি রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে একটি মৌলিক অধিকার।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইয়েন ইয়েনেরও পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের যেকোনো মানবাধিকার বিষয় নিয়ে কথা বলার অধিকার রয়েছে এবং এটি তার নৈতিক ও নাগরিক দায়িত্বের অংশ।

এর আগে, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সংবেদনশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ সরকার ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ‘অসত্য ও বিভ্রান্তিকর’ অভিযোগ উত্থাপনের অভিযোগে ইয়েন ইয়েনকে সতর্ক করে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার জুডিসিয়াল মুন্সিখানা শাখা থেকে চলতি এপ্রিল মাসের ৬ তারিখে জারি করা স্মারকে বলা হয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-২ শাখার একটি চিঠির সূত্র ধরে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে জানা গেছে- মিজ ইয়েন ইয়েন পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ করে আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপনসহ অপপ্রচারে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। এ অবস্থায় এ ধরনের কার্যক্রম পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই ভবিষ্যতে বক্তব্য প্রদান ও যেকোনো কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে দেশের প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য তাকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed