পাহাড়ে মাথাচাড়া দেওয়ার শক্তি কেএনএফের নেই: র্যাব ডিজি
![]()
নিউজ ডেস্ক
বান্দরবানের রুমা ও থানচিতে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ), তথা ইয়াসিন বাহিনীর অতর্কিত হামলার পেছনে র্যাবের কিছুটা অসাবধানতা ও গোয়েন্দা নজরদারির দুর্বলতা ছিল বলে অকপটে স্বীকার করেছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) ও অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশ। তবে এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কোনোভাবেই র্যাবের চেয়ে শক্তিশালী নয় এবং পাহাড়ে তাদের সম্পূর্ণ উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছেন র্যাবের এই মহাপরিচালক।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে র্যাব প্রধান এ মন্তব্য করেন।
পাহাড়ে কেএনএফের সাম্প্রতিক তৎপরতা ও হামলা প্রসঙ্গে নিজের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে র্যাব ডিজি বলেন, আপনারা জানেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলের দায়িত্বে থাকাকালীন এই সন্ত্রাসবিরোধী অপারেশনে আমি নিজে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছি।
বর্তমানে পাহাড়ে র্যাব ও পুলিশের দুটি বিশেষ ক্যাম্প সার্বক্ষণিক ও অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।
র্যাব মহাপরিচালক বলেন, মূলত র্যাবের মূল ক্যাম্পে কোনো হামলা হয়নি।
ওই দুর্গম এলাকায় আমরা নতুন একটি ক্যাম্প স্থাপন করে স্থায়ীভাবে বসার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। আমাদের সেই অপ্রস্তুত নতুন ক্যাম্পটির ওপরই তারা অতর্কিত হামলা চালায়।
র্যাবের কোনো গাফিলতি ছিল কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেন, তারা মূলত অতর্কিতভাবে কাজটি করেছে। আমার মনে হয়, এখানে আমাদেরও কিছু অসাবধানতা ছিল। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। আমরা হয়তো তাদের কার্যক্রম সেই মাত্রায় মনিটরিং বা নজরদারিতে রাখতে পারিনি।
তিনি বলেন, আমাদের পরাস্ত করার মতো শক্তি তাদের নেই এবং এটা তারা নিজেরাও খুব ভালো করেই জানে। আমাদের কিছুটা অসাবধানতার সুযোগ নিয়ে তারা এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে। কিন্তু তারা আর পার পাবে না।
র্যাব ডিজি আরও বলেন, তারা যেখানেই থাকুক, যেভাবেই থাকুক, তাদের আমরা পাহাড় থেকে সম্পূর্ণ উচ্ছেদ করব। এই হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ জন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন, তারা আর সেখানে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। আমরা তাদের তাড়িয়ে দিয়েছি এবং তারা তাড়ানো অবস্থাতেই থাকবে। নতুন করে কোনো শক্তির সেখানে ঢোকার সুযোগ নেই।
এর আগে রোববার (২৪ মে) দিবাগত রাত একটার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে হামলা চালায় সন্ত্রাসী ইয়াসিন গ্রুপ। এ সময় যৌথ বাহিনীর সঙ্গে দুই ঘণ্টা গুলিবিনিময় হয়েছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।