মণিপুরে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের নাগরিকদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন শুরু করল আসাম রাইফেলস

মণিপুরে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের নাগরিকদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন শুরু করল আসাম রাইফেলস

মণিপুরে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের নাগরিকদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন শুরু করল আসাম রাইফেলস
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

ভারতের মণিপুর রাজ্যের কামজং জেলায় আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন ও পরিচয় যাচাই কার্যক্রম শুরু করেছে আসাম রাইফেলস। সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বয়ে মঙ্গলবার (৩০ জুন) এ কার্যক্রম শুরু হয়।

কর্তৃপক্ষ জানায়, কামজং জেলার ফাইকোহ, শাংখালোক এবং আলোয়ো গ্রামে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের মধ্যে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। নিজ দেশে চলমান অস্থিরতার কারণে এসব ব্যক্তি সাময়িকভাবে ওই এলাকায় অবস্থান করছেন।

এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বেসামরিক প্রশাসন ও নিরাপত্তা সংস্থার প্রায় ৪০ সদস্যের একটি যৌথ দল তিনটি গ্রামে অবস্থানরত প্রায় ৫০০ জনের পরিচয় যাচাই, বায়োমেট্রিক নিবন্ধন এবং জনতাত্ত্বিক তথ্য সংগ্রহ করেছে।

কামজং জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় পরিচালিত এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো প্রশাসনিক পরিকল্পনা ও নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ও কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডার তৈরি করা।

কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, এই কার্যক্রম ‘অপারেশন অ্যাঙ্কর’-এর দ্বিতীয় ধাপের অংশ। এটি একটি সমন্বিত বেসামরিক-সামরিক উদ্যোগ, যার লক্ষ্য মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে সীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করা।

প্রথম ধাপে সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি, টহল জোরদার এবং সীমান্তে বেড়া নির্মাণের মাধ্যমে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত অতিক্রম ঠেকানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। দ্বিতীয় ধাপে সাময়িক আশ্রয় পাওয়া বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের নিবন্ধন ও পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সরকারি বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বায়োমেট্রিক তথ্যভান্ডার তৈরি হলে পরিচয় গোপনের সুযোগ কমবে, চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তা আরও স্বচ্ছভাবে বিতরণ করা সম্ভব হবে এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা-সংক্রান্ত নীতিনির্ধারণে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যাচাইকৃত তথ্য ব্যবহার করতে পারবে।

কর্তৃপক্ষের দাবি, মানবিক দিক বিবেচনায় সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জেলায় সীমান্ত অতিক্রমকারী ব্যক্তিদের কার্যকরভাবে পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতেই এ সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারে চলমান সংঘাতের কারণে গত কয়েক বছরে দেশটির বহু বাস্তুচ্যুত নাগরিক ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয় নিয়েছেন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *