ফটিকছড়ির বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে সেনাবাহিনীর লক্ষীছড়ি জোন, দুর্গম এলাকায় ত্রাণ বিতরণ

ফটিকছড়ির বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে সেনাবাহিনীর লক্ষীছড়ি জোন, দুর্গম এলাকায় ত্রাণ বিতরণ

ফটিকছড়ির বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে সেনাবাহিনীর লক্ষীছড়ি জোন, দুর্গম এলাকায় ত্রাণ বিতরণ
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। অনেক স্থানে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় শত শত পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দেওয়ায় দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

শনিবার (১১ জুলাই) সকাল থেকেই ২৪ আর্টিলারি ব্রিগেড ও গুইমারা রিজিয়নের অধীন লক্ষ্মীছড়ি জোনের উদ্যোগে ফটিকছড়ি উপজেলার সুন্দরপুর, হারুয়ালছড়ি এবং আশপাশের বন্যাকবলিত এলাকায় জরুরি ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। দুর্গম এলাকায় নৌযান ও বিকল্প উপায়ে পৌঁছে সেনাসদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করেন এবং তাদের হাতে প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন।

ফটিকছড়ির বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে সেনাবাহিনীর লক্ষীছড়ি জোন, দুর্গম এলাকায় ত্রাণ বিতরণ

ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, লবণ ও বিভিন্ন ধরনের শুকনো খাদ্য। পাশাপাশি সেনাসদস্যরা পানিবন্দি পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে নিরাপদে অবস্থান, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেন।

সেনাবাহিনী জানায়, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ও দুর্গম এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে। পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ লাঘব এবং খাদ্যসংকট মোকাবিলায় গুইমারা রিজিয়নের সদস্যরা সার্বক্ষণিক মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। পরিস্থিতির প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।

ফটিকছড়ির বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে সেনাবাহিনীর লক্ষীছড়ি জোন, দুর্গম এলাকায় ত্রাণ বিতরণ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্বিপাক ও সংকটময় পরিস্থিতিতে জনগণের জানমাল রক্ষা এবং মানবিক সহায়তা প্রদান তাদের অন্যতম দায়িত্ব। চলমান বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ত্রাণ পাওয়া স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বন্যায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় তারা চরম সংকটে ছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা দুর্গম এলাকায় পৌঁছে খাদ্য সহায়তা দেওয়ায় অনেকটাই স্বস্তি ফিরে এসেছে। দুর্যোগের সময়ে সেনাবাহিনীর দ্রুত উপস্থিতি ও মানবিক উদ্যোগের জন্য তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *