হ্নীলা সীমান্তে ১৪ লাখ ইয়াবা জব্দ, দুইজন আটক

হ্নীলা সীমান্তে ১৪ লাখ ইয়াবা জব্দ, দুইজন আটক

হ্নীলা সীমান্তে ১৪ লাখ ইয়াবা জব্দ, দুইজন আটক
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা সীমান্তে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পাচারের সময় প্রায় ১৪ লাখ পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় ইয়াবা পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের জালিয়াপাড়া এলাকার গোপাল দাসের ছেলে জয়গর দাস (৪০) এবং ফুলের ডেইল এলাকার মো. শফির ছেলে মো. হোসেন।

বিজিবি সূত্র জানায়, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ইয়াবার একটি বড় চালান প্রবেশের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হ্নীলা সীমান্তে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় উখিয়া ৬৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন হ্নীলা বিওপির একটি বিশেষ টহলদল সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেয়।

পরবর্তীতে হ্নীলা বিওপি থেকে আনুমানিক এক কিলোমিটার দক্ষিণে, সীমান্তের বিআরএম-১২ থেকে প্রায় ২০০ গজ উত্তরে এবং শূন্যরেখা থেকে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সুইচগেট পোস্ট এলাকায় অভিযান চালায় বিজিবি।

অভিযানকালে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করা দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ১৪০টি কাটে রাখা আনুমানিক ১৪ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। বিজিবির দাবি, বিপুল পরিমাণ এই মাদকের চালানটি মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল।

অভিযানের বিষয়ে উখিয়া ৬৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম (জি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিয়ানমার থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক বাংলাদেশে প্রবেশের তথ্য পাওয়া যায়। ওই তথ্যের ভিত্তিতে হ্নীলা বিওপির বিশেষ টহলদল সীমান্ত এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে দুইজনকে আটক করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে।

বিজিবির এই কর্মকর্তা জানান, উদ্ধার হওয়া ইয়াবার পরিমাণ প্রায় ১৪ লাখ পিস। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

সীমান্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মিয়ানমার সীমান্তবর্তী টেকনাফ দীর্ঘদিন ধরেই মাদক পাচারের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে রয়েছে। দুর্গম সীমান্তপথ ব্যবহার করে মাদক পাচারের বিভিন্ন চেষ্টা ঠেকাতে বিজিবির নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা তৎপরতা ও বিশেষ অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জব্দের এ ঘটনা সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিজিবি সূত্র আরও জানায়, জব্দ করা ইয়াবা ও আটক দুই ব্যক্তিকে টেকনাফ থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। সীমান্ত দিয়ে মাদক প্রবেশের পথ বন্ধ করতে গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

You may have missed