দেশে ফেরা ঠেকাতে তৎকালীন সরকার নানা ষড়যন্ত্র করেছিলো - Southeast Asia Journal

দেশে ফেরা ঠেকাতে তৎকালীন সরকার নানা ষড়যন্ত্র করেছিলো

“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

 

নিউজ ডেস্ক

স্বাধীনতা অর্জন যাতে ব্যর্থ না হয়, সে কারণেই অনেক বাধা অতিক্রম করে দেশে ফিরেছিলেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তৎকালীন সরকার তার দেশে ফেরা ঠেকাতে নানা ষড়যন্ত্র করেছিলো।

সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষ একথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, খুনী এবং যুদ্ধাপরাধী, যাদের বিচার বঙ্গবন্ধু শুরু করেছিলেন, তারা তখন ক্ষমতায় ছিলো। দেশে আসা ঠেকাতে তাদের ষড়যন্ত্র ছিলো উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে ফেরার পরও নানা ঝড়-ঝাপটা মোকাবিলা করতে হয়েছে।

এসময় জনগণের শক্তি সঙ্গে ছিলো জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, মানুষের ভালোবাসার শক্তি সঙ্গে ছিলো বলেই আজ দেশের ভাগ্য পরিবর্তন করা সম্ভব হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে আমরা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছি। শুধু আমাদের দেশের ভেতরে না, বাইরেও, সব কিছু মিলিয়ে অনেক ঝড় ঝাপ্টা পার হয়েই আজকে এই জায়গায় আমরা আসতে পেরেছি। এটাই সব থেকে বড় কথা।

১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর বাংলাদেশের যে উল্টোযাত্রা শুরু হয়েছিল, সে কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতিহাস একেবারেই মুছে ফেলা হয়েছিল, পুরো পরিবর্তন। এখন একটা আত্মবিশ্বাস এসে গেছে যে বাংলাদেশের ইতিহাস আর কেউ কোনো দিন বিকৃত করতে পারবে না। আর মুছতে পারবে না।

বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের যেদিন হত্যা করা হয়, সে সময় বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান শেখ হাসিনা ও ছোট বোন শেখ রেহানা। বিদেশে দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরেন বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা। তার আগেই ওই বছর ফেব্রুয়ারিতে আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলে তাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।

শেখ হাসিনা ভারতের নয়া দিল্লি থেকে দেশে ফিরলে প্রতিকূল পরিস্থিতি উপেক্ষা করে সেদিন তেজগাঁও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাখো জনতা তাকে স্বাগত জানায়। সেদিনের কথা স্মরণ করে দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং দলীয় নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী, যিনি গত এক যুগ ধরে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।

You may have missed