ইসরায়েলি হামলায় ৫২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি গৃহহীন: জাতিসংঘ - Southeast Asia Journal

ইসরায়েলি হামলায় ৫২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি গৃহহীন: জাতিসংঘ

“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় প্রায় সাড়ে চারশো ভবন ধ্বংস হয়েছে। গৃহহীন হয়েছেন ৫২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি, এমনই একটি চিত্র উঠে এসেছে জাতিসংঘের হিসাবে। এদের মধ্যে প্রায় ৪৭ হাজার ফিলিস্তিনি জাতিসংঘ পরিচালিত ৫৮টি স্কুলে আশ্রয় নিয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। এখনো পর্যন্ত সেখানে ৬৩ শিশুসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১৮ জনে।
এদিকে অব্যাহত বিমান হামলার পাশাপাশি এবার গাজায় ত্রাণ সরবরাহও আটকে দিয়েছে ইসরায়েল। সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ায় গাজায় দুর্গত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছানো যাচ্ছে না। বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার পাঠানো ত্রাণবাহী ট্রাকের বহরটি প্রবেশের জন্য সীমান্ত খোলার কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার আটকে দেয় ইসরায়েলি বাহিনী।

ইসরায়েলি কো–অর্ডিনেটর অব গভর্নমেন্ট অ্যাক্টিভিটিজ ইন দ্য টেরিটোরিজ (কোগাট) মঙ্গলবার ত্রাণ নেওয়ার জন্য সাময়িকভাবে কারেম আবু সালেম সীমান্ত খোলার ঘোষণা দেয়। এরপর সেখান দিয়ে ত্রাণবাহী ট্রাক ঢুকতে শুরু করে। কিছুক্ষণ পরেই মর্টার হামলায় এক ইসরায়েলি সেনা সামান্য আহত হওয়ার কথা জানিয়ে সীমান্ত বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়।

এদিকে, নরওয়েজিয়ান রিফুজি কাউন্সিলের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক মিডিয়া উপদেষ্টা কার্ল স্কেমব্রি আল জাজিরাকে জানান, গাজার লোকদের এখন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের পাশাপাশি জরুরি মানবিক সহায়তাও দরকার। সে জন্য সীমান্তগুলো খোলা রাখতে হবে। কিন্তু কারেম আবু সালেম ও বেইত হ্যানুন ক্রসিং বন্ধ রাখলে অঞ্চলটিতে ‘শ্বাসবন্ধ হওয়ার’ অবস্থা সৃষ্টি হবে। মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর জন্য অস্ত্রবিরতিও দরকার।

মঙ্গলবার রাতে দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিস এবং রাফাহ শহরে ৬০ দফা বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। এর পাল্টা হিসেবে হামাসও রকেট হামলা চালায়। গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বর্ণনা করে এ বিষয়ে দ্রুত তদন্তের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে চিঠি দিয়েছেন ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

লাগাতার হামলায় বিধ্বস্ত গাজায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কোভিড টেস্ট সেন্টার। প্রধান পরীক্ষাগারটি প্রয়োজনীয় সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ায় সব কোভিড পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।