স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর আয়োজনে সম্প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত
![]()
নিউজ ডেস্ক
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপনের অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার দীঘিনালা উপজেলা মাঠে আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে সম্প্রীতি ফুটবল ম্যাচ।
খেলায় অংশগ্রহণ করে দুটি শক্তিশালী দল—অফিসার্স ক্লাব একাদশ এবং উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা একাদশ।
ম্যাচের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন দীঘিনালা জোনের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ আল আমিন, যিনি পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে খেলার উদ্বোধন করেন।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিল পারভেজসহ সেনা কর্মকর্তা ও সরকারী কর্মকর্তারা।
পুরো ম্যাচ জুড়ে উভয় দলই প্রতিপক্ষের সুযোগ আটকাতে ব্যস্ত থাকে এবং চমৎকার পাসিং, ড্রিবল ও রক্ষণাত্মক কৌশল প্রদর্শন করে।
৯০ মিনিটের মূল খেলার শেষে স্কোর ২–২ গোলে সমতা থাকে। পরে ট্রাইবেকারের মাধ্যমে উত্তেজনাপূর্ণ সমাপ্তি হয়, যেখানে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা একাদশ ৪–৩ গোলে বিজয়ী হয়।

বিজয়ী ও বিজিত দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি, মেডেল ও সম্মাননা বিতরণ করেন প্রধান অতিথি লেঃ কর্ণেল মোঃ আল আমিন।
খেলার সময় মাঠে উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক এবং আনুমানিক ২৫০–৩০০ জন দর্শক।
খেলা শিশু, কিশোর ও যুবসমাজের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে ওঠে।

স্থানীয়রা জানান, “এ ধরনের খেলা কেবল ক্রীড়া নয়, পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং সামাজিক বন্ধুত্ব দৃঢ় করার সুযোগও তৈরি করে।”
উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা একাদশের কোচ বাবুধন চাকমা বলেন, “স্বাধীনতা দিবসে এই ধরনের খেলা আয়োজন আমাদের যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হতে শেখায়। অফিসার্স ক্লাবের সঙ্গে প্রতিযোগিতা চমৎকার ছিল।”

দীঘিনালা জোন অধিনায়ক জানান, “খেলাধুলা কেবল স্বাস্থ্য নয়, সামাজিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও একাত্মতার শিক্ষা দেয়। আমরা চাই পার্বত্য অঞ্চলের প্রতিটি যুবক–যুবতী এই ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করুক।”
মাঠটি খেলার সময় উৎসবমুখর হয়ে উঠে। দর্শকরা দলের কৌশল, দ্রুতগতির পাসিং এবং গোল করার মুহূর্তগুলো নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

বিজয়ী দলকে পুরস্কৃত করার পরে উভয় দলের খেলোয়াড়রা নিজেদের কৌশল ও পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা করেন, যা ভবিষ্যতের খেলায় উন্নতির দিক নির্দেশ করবে।
দীঘিনালা জোনের এই উদ্যোগ কেবল খেলাধুলার উদ্দেশ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি পার্বত্য এলাকার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি ও সমন্বয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।