ফেসবুকে উত্তেজনা, বাস্তবে বন্ধ মাল্টিপারপাস প্রকল্পের কাজ- আলুটিলা নিয়ে ছড়ানো হচ্ছে বিভ্রান্তি!

ফেসবুকে উত্তেজনা, বাস্তবে বন্ধ মাল্টিপারপাস প্রকল্পের কাজ- আলুটিলা নিয়ে ছড়ানো হচ্ছে বিভ্রান্তি!

ফেসবুকে উত্তেজনা, বাস্তবে বন্ধ মাল্টিপারপাস প্রকল্পের কাজ- আলুটিলা নিয়ে ছড়ানো হচ্ছে বিভ্রান্তি!
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

মোঃ সাইফুল ইসলাম

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র আলুটিলাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে ছড়ানো হয়েছে ‘মসজিদ নির্মাণ’ সংক্রান্ত অপপ্রচার। ফেসবুকে একটি আধা-নির্মিত স্থাপনার ছবি ব্যবহার করে দাবি করা হচ্ছে, আলুটিলার পর্যটন এলাকায় স্থানীয় ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি ধ্বংস করে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে সরেজমিন অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে ভিন্ন তথ্য। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, স্থানীয় বাসিন্দা এবং ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা বলছেন, এটি কোনো মসজিদ নির্মাণ প্রকল্প নয়; বরং কয়েক বছর আগে শুরু হওয়া একটি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্স প্রকল্প, যার কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র খাগড়াছড়ি তথা দেশের অন্যতম দর্শনীয় স্থান হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিন দেশ-বিদেশ থেকে হাজারো পর্যটক এখানে ভিড় করেন। পর্যটনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে স্থানীয় অর্থনৈতিক কার্যক্রম। পর্যটনসংশ্লিষ্ট দোকানপাট, পরিবহন, খাবার হোটেলসহ নানা খাতে স্থানীয় বাসিন্দারা উপকৃত হচ্ছেন। স্থানীয় ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের অনেক পরিবারও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই পর্যটন অর্থনীতির অংশ।

ফেসবুকে উত্তেজনা, বাস্তবে বন্ধ মাল্টিপারপাস প্রকল্পের কাজ- আলুটিলা নিয়ে ছড়ানো হচ্ছে বিভ্রান্তি!
মসজিদ না থাকায় পার্কের বেঞ্চেই নামাজ আদায় করছেন এক পর্যটক।

পুরো পর্যটন এলাকাটি সরকারি জমির ওপর গড়ে উঠেছে। এলাকাটির আশেপাশে একটি বৌদ্ধ বিহার, একটি মন্দিরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয় থাকলেও মুসলিম পর্যটকদের জন্য কোনো নামাজের নির্দিষ্ট স্থান নেই। ফলে বহু পর্যটক নামাজের সময় বিড়ম্বনায় পড়েন। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পর্যটকদের পক্ষ থেকে একটি ছোট নামাজের স্থানের দাবি উঠে আসছিল। অনেক পর্যটককে নির্ধারিত সময়ে পার্কের বেঞ্চ বা খোলা জায়গায় নামাজ আদায় করতেও দেখা যায়।

ফেসবুকে উত্তেজনা, বাস্তবে বন্ধ মাল্টিপারপাস প্রকল্পের কাজ- আলুটিলা নিয়ে ছড়ানো হচ্ছে বিভ্রান্তি!
দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সের কাজ।

এমন বাস্তবতায় কয়েক বছর আগে সরকারের একটি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সেখানে একটি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্পটিতে বিশ্রামাগার, ওয়াশরুম, ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার, পর্যটকদের জন্য আবাসিক সুবিধা এবং ছোট পরিসরে মুসলিম পর্যটকদের নামাজ আদায়ের জন্য একটি কক্ষ রাখার পরিকল্পনা ছিল। তবে অর্থ বরাদ্দ জটিলতার কারণে নির্মাণকাজ মাঝপথে বন্ধ হয়ে যায়। গত তিন থেকে চার বছর ধরে স্থাপনাটি অর্ধসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। আর আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রের সেই জায়গাটিও জেলা প্রশাসনের অধিগ্রহণভুক্ত জায়গা।

সম্প্রতি ওই বন্ধ হয়ে থাকা স্থাপনার ছবি ব্যবহার করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা শুরু করে। সেখানে দাবি করা হয়, আলুটিলায় স্থানীয় ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের বিরোধিতা উপেক্ষা করে মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। এর জেরে বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে উসকানিমূলক মন্তব্যও ছড়িয়ে পড়ে।

তবে স্থানীয় ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা এসব দাবিকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন।

ফেসবুকে উত্তেজনা, বাস্তবে বন্ধ মাল্টিপারপাস প্রকল্পের কাজ- আলুটিলা নিয়ে ছড়ানো হচ্ছে বিভ্রান্তি!
পর্যটন বিকাশে এভাবেই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীরা।

সেখানকার ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের কারবারি সূর্য কিরণ ত্রিপরা বলেন, “ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হলেও সেখানে বাধা দেওয়ার এখতিয়ার আমাদেরও নেই। যার যার ধর্ম সে পালন করবে। এখন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে একটা বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। আমিও দেখলাম গতকাল। মসজিদ নির্মাণ হলেও আমাদের কোনো অসুবিধা নেই। না বুঝেই অনেকে ফেসবুকে এটা ছড়াচ্ছে। কিছু উগ্রবাদীও আছে, যারা এটা নিয়ে অপপ্রচার করছে। সাধারণ মানুষও না বুঝে তাদের ফাঁদে পা দিচ্ছে।”

আলুটিলা এলাকার বাসিন্দা কুকুনাথ ত্রিপুরাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ‘স্থানীয়দের ক্ষোভ’ সংক্রান্ত দাবিকে নাকচ করে দেন। তিনি বলেন, “এটা আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রের ভেতরে হচ্ছে, আমাদের গ্রামের ভেতরে না। ফেসবুকে দেখলাম স্থানীয়রা নাকি ক্ষুব্ধ। এখানে স্থানীয় তো আমরাই। কিন্তু এটা তো আমাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত না। পর্যটনের ভেতরে হচ্ছে, আর আমাদের গ্রাম তো পর্যটনের বাইরে। এটা নিয়ে কেউ আসলে ক্ষুব্ধ না।”

তিনি আরও বলেন, “পর্যটনে সমতল থেকে বিভিন্ন মুসলিম ধর্মাবলম্বী পর্যটক আসেন। অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি একটা মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্স হবে, সেখানে তাদের নামাজেরও ব্যবস্থা থাকবে। আবাসিক ফ্যাসিলিটিও থাকবে। এটা আমাদের ত্রিপুরা সম্প্রদায় বা এলাকাবাসীর জন্য কোনো সমস্যা না।”

আলুটিলায় বেড়াতে আসা পর্যটক মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আলুটিলা দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র। আমরা দিনাজপুর থেকে ১৮ জন এসেছি। এখানে নামাজের জন্য কোনো ব্যবস্থা নেই। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীদের মধ্যে বেশির ভাগই মুসলিম পর্যটক। দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে মসজিদ থাকলেও এখানে নেই। তাই আলুটিলায় একটি নামাজের উপযুক্ত স্থান বা জুমা মসজিদ থাকা প্রয়োজন।

এদিকে গতকাল রবিবার (১০ মে) খাগড়াছড়ি জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাতও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, এটা আসলে নির্দিষ্ট কোনো ধর্মীয় উপাসনালয় নয়। এটা নয় মসজিদ, নয় মন্দির, নয় গীর্জা। এটা একটি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্স। যার কাজ বর্তমানে বন্ধ আছে। আবার কবে বরাদ্দ আসবে, কবে কাজ শুরু হবে, সেটাও বলা যাচ্ছে না।

ফেসবুকে উত্তেজনা, বাস্তবে বন্ধ মাল্টিপারপাস প্রকল্পের কাজ- আলুটিলা নিয়ে ছড়ানো হচ্ছে বিভ্রান্তি!
জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় পুরো বিষয়টি তুলে ধরেন জেলা প্রশাসক।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, একটি পর্যটন কেন্দ্রে দেশ-বিদেশ থেকে বহু পর্যটক আসেন। বাচ্চাদের নিয়ে আসা মায়েদের জন্য ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার, ওয়াশরুমসহ নানা সুবিধা রাখার পরিকল্পনা ছিল। এটাকেই মসজিদ হচ্ছে বলে অপতথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। বিষয়গুলো আগে জানতে হবে। পরিচালনা কমিটির কাছে গিয়ে জানতে হবে। এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই আমার মনে হয়।

তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যারা অপতথ্য ছড়িয়ে মাঠ গরম করতে চায়, ফেসবুক গরম করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সঠিক তথ্য তুলে ধরতে হবে।

স্থানীয় সূত্র বলছে, আলুটিলাকে ঘিরে এর আগেও বিভিন্ন উন্নয়ন ও উচ্ছেদ কার্যক্রমে একই ধরনের অপপ্রচার চালানো হয়েছে। গত ১ এপ্রিল আলুটিলা সড়কের দুই পাশে সরকারি খাস জমি ও রাস্তার অংশ দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে অভিযান চালাতে গেলে জেলা প্রশাসন ব্যাপক বাধার মুখে পড়ে। সরু সড়কের কারণে সেখানে একাধিক বড় দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটলেও অবৈধ দখল উচ্ছেদ কার্যক্রম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক অপপ্রচারের কারণে থমকে যায়।

ফেসবুকে উত্তেজনা, বাস্তবে বন্ধ মাল্টিপারপাস প্রকল্পের কাজ- আলুটিলা নিয়ে ছড়ানো হচ্ছে বিভ্রান্তি!
স্থানীয় বাসিন্দা কুকুনাথ ত্রিপুরা বলছেন, ওই প্রকল্প নিয়ে কোনো আপত্তি নেই ত্রিপুরাদের।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, প্রসীত বিকাশ খীসার নেতৃত্বাধীন পাহাড়ের আঞ্চলিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে স্থানীয় ত্রিপুরা সম্প্রদায়কে প্রশাসনের বিরুদ্ধে উসকে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে প্রশাসন অবৈধ দোকানপাট ও খাস জমি দখলদারদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি। এতে সরকারি ভূমি রক্ষা ও পর্যটন ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়।

স্বয়ং ইউপিডিএফ নেতা ও একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত এবং সম্প্রতি আদালত থেকে সাজাপ্রাপ্ত আসামী মাইকেল চাকমা সরাসরি এ অপপ্রচারে যুক্ত ছিলেন। তারা স্থানীয় প্রশাসনের পদক্ষেপকে ভুল তথ্য ছড়িয়ে সমালোচনার মুখে ফেলে এবং স্থানীয় পাহাড়িদের উসকে দিয়ে সামাজিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেন।

একদিনের ব্যবধানে ২ এপ্রিল বিকেলে অবৈধ দখলদারদের দোকানপাট খোলার সিদ্ধান্ত দেয় স্থানীয় প্রশাসন।

স্থানীয়দের মতে, আলুটিলার মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রকে ঘিরে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা শুধু সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার ঝুঁকিই তৈরি করছে না, বরং পর্যটন খাত, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং স্থানীয় সম্প্রীতিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তাই যাচাই ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য বিশ্বাস না করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

জানা যায়, বিগত বছরগুলোতে সরকার আলুটিলা ও রিছাং ঝর্ণা পর্যটন কেন্দ্র এলাকায় মোট প্রায় ১০০ একর সরকারি খাস ভূমি নিয়ে মাষ্টারপ্ল্যান তৈরি করে। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে এই প্রকল্পের মাধ্যমে একটি পরিকল্পিত ‘ট্যুরিজম জোন’ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। লক্ষ্য ছিল, পর্যটন কেন্দ্রের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করা।

সরকারি ভূমি দখল করে পর্যটন এলাকায় দোকানপাট, ইউপিডিএফের অপপ্রচারে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ প্রশাসন!

কিন্তু, তখনও সন্ত্রাসীগোষ্ঠী ইউপিডিএফ স্থানীয় সাধারণ পাহাড়িদের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে মাঠ গরম করে এবং অপপ্রচারের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাতিল করিয়ে দেয়। এই বাধার কারণে স্থানীয় পর্যটন পরিকল্পনা বিলম্বিত হয় এবং পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সম্প্রতি দেখা গেছে, ইউপিডিএফের ওই একই প্রভাব এখনও পর্যটন কেন্দ্রের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনাকে প্রভাবিত করছে।

পর্যটন ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, ইউপিডিএফের পর্যটনবিরোধী কর্মকাণ্ড পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকারি ভূমি দখল, সামাজিক অপপ্রচার এবং স্থানীয় পর্যটন কেন্দ্রের অব্যবস্থাপনা একযোগে স্থানীয় পর্যটন অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি তৈরি করছে।

স্থানীয় পর্যটন কেন্দ্রের অব্যবস্থাপনা ও অবৈধ দখল প্রশাসনিক তদারকির অভাবে স্থায়ী পর্যায়ে স্থানীয় ব্যবসা ও পর্যটন শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এ অঞ্চলে পর্যটন থেকে আয় অর্জনকারী পরিবার ও সম্প্রদায়গুলো এ পরিস্থিতিতে ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

ব্যবসায়ীরা মনে করেন, সরকারি ভূমি দখল প্রতিরোধ, সুষ্ঠু প্রশাসনিক নজরদারি এবং পর্যটন কেন্দ্রের মানসম্মত ব্যবস্থাপনা ছাড়া আলুটিলা ও রিছাং ঝর্ণার পর্যটন সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব নয়। সরকারি উদ্যোগ এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের সমন্বিত অংশগ্রহণ ছাড়া এই অঞ্চলের পর্যটন অর্থনীতি এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা কঠিন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।