সাঙ্গুর পানির তোড়ে তিন্দু-রেমাক্রী-নাফাখুমে আটকা শতাধিক পর্যটক, নৌযান চলাচল বন্ধ
![]()
নিউজ ডেস্ক
টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে বান্দরবানের থানচি উপজেলার সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতের কারণে তিন্দু, রেমাক্রী ও নাফাখুম পর্যটন এলাকায় শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। পরিস্থিতির ঝুঁকি বিবেচনায় সোমবার (৬ জুলাই) সকাল থেকে নৌযান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে স্থানীয় প্রশাসন।
প্রশাসন জানায়, অব্যাহত বর্ষণের ফলে সাঙ্গু নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। পাশাপাশি নদীতে প্রবল স্রোত সৃষ্টি হওয়ায় পর্যটকদের নিয়ে নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এ কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে সাময়িকভাবে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে তিন্দু, রেমাক্রী ও নাফাখুম এলাকায় অবস্থানরত শতাধিক পর্যটক সেখানে আটকা পড়েছেন।
থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ-আল-ফয়সাল বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ঝুঁকি নিয়ে কোনোভাবেই নৌযান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। নদীর পানি ও স্রোত স্বাভাবিক হলে পর্যায়ক্রমে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি আরও জানান, আটকে পড়া পর্যটকেরা নিরাপদ অবস্থানে রয়েছেন। তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন। একই সঙ্গে নদীর পানি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অপ্রয়োজনে নদীপথে যাতায়াত থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে জেলা আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত বান্দরবানে ১৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। টানা বর্ষণের কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকিও বেড়েছে।
প্রসঙ্গত, ভারী বর্ষণের কারণে একই দিনে বান্দরবান-থানচি সড়কের নীলগিরি এলাকার কাছে পাহাড়ধসের ঘটনায় সড়ক যোগাযোগও সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। জেলা প্রশাসন সবাইকে আবহাওয়ার সতর্কবার্তা মেনে চলতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অপ্রয়োজনে যাতায়াত না করার আহ্বান জানিয়েছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।