টানা বর্ষণে খাগড়াছড়িতে বন্যার শঙ্কা, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি; নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ

টানা বর্ষণে খাগড়াছড়িতে বন্যার শঙ্কা, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি; নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ

টানা বর্ষণে খাগড়াছড়িতে বন্যার শঙ্কা, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি; নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

টানা ভারী বর্ষণে খাগড়াছড়িতে বন্যার আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে। পাহাড়ি ঢলে জেলার চেঙ্গী ও মাইনী নদীসহ বিভিন্ন খাল-ছড়ার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর থেকে জেলা সদর, মহালছড়ি, পানছড়ি ও দীঘিনালাসহ বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ শুরু করেছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

জেলা আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় খাগড়াছড়িতে ১১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। টানা বর্ষণের ফলে পাহাড়ি ঢলের পানি নেমে এসে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহালছড়ি উপজেলার মাইসছড়ি সড়কের কয়েকটি স্থানে পানি জমে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া দীঘিনালা-লংগদু সড়কের বিভিন্ন নিচু অংশেও পানি উঠে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। অনেক এলাকায় সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় যানবাহনকে ধীরগতিতে চলাচল করতে হচ্ছে।

অবিরাম বৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় পাহাড়ধসের ঘটনাও ঘটছে। পাহাড়ের পাদদেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত বলেন, “যেকোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের প্রয়োজন হলে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।”

প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি বিবেচনায় সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থান না করা, পাহাড়ের ঢাল ও পাদদেশ এড়িয়ে চলা এবং সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, আগামী কয়েকদিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে নদ-নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেয়ে জেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। একই সঙ্গে পাহাড়ধসের ঝুঁকিও আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed