রাঙামাটি সদর হাসপাতালে প্রথমবারের মতো চালু হলো কলপোস্কোপি
![]()
জার্নাল ডেস্ক
রাঙামাটি সদর হাসপাতালের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চালু হলো কলপোস্কোপি।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. তাহমিনা দেওয়ান অভির তত্ত্বাবধানে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. তাহমিনা দেওয়ান অভি বলেন, কারো সাধারণত প্যাপ টেস্ট বা ভায়া টেস্টে কোনো অস্বাভাবিক কোষ বা সমস্যা ধরা পড়লে আমরা তাদের কলপোস্কোপি করবো। এইচপিভি বা হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস টেস্ট পজিটিভ হলে, জরায়ু মুখে দীর্ঘদিন ধরে কোনো ইনফেকশন বা ক্ষত থাকলে, স্বাভাবিক পেলভিক পরীক্ষার সময় চিকিৎসক জরায়ুতে কোনো অস্বাভাবিকতা বা সমস্যা সন্দেহ করলে এ পরীক্ষা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, কলপোস্কোপি হলো জরায়ু মুখ, যোনি এবং ভালভা পরীক্ষা করার একটি বিশেষ চিকিৎসাপদ্ধতি। প্যাপ স্মিয়ার বা এইচপিভি পরীক্ষায় অস্বাভাবিক ফলাফল পাওয়া গেলে, জরায়ু মুখের ক্যানসার পূর্ববর্তী কোষ বা অন্যান্য সমস্যা শনাক্ত করতে কলপোস্কোপ নামক একটি বিশেষ ম্যাগনিফাইং যন্ত্র ব্যবহার করে এ পরীক্ষাটি করা হয়।
ককলপোস্কোপি প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকরা বলছেন, জরায়ু মুখের ক্যানসার প্রতিরোধে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয়, কলপোস্কোপির মাধ্যমে জরায়ু মুখ (সারভিক্স), যোনিপথ এবং ভালভা (যোনিমুখ) পরীক্ষা করা হয়। প্যাপ স্মিয়ার বা এইচপিভি টেস্টের ফলাফল অস্বাভাবিক এলে এটি করা হয়।
বিশেষ করে অস্বাভাবিক রক্তপাত, পলিপ বা আঁচিলের মতো সমস্যাগুলো পরীক্ষার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর।
রাঙামাটি সিভিল সার্জন ডা. নূয়েন খীসা বলেন, রাঙামাটি সদর হাসপাতালের ইতিহাসে এ প্রথম কলপোস্কোপি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকারের চিকিৎসা নির্ভর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা থেকে সরে এসে প্রতিরোধ নির্ভর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার নীতিগত সিদ্ধান্তকে সফল করতে এ চিকিৎসা পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর। এখন থেকে রাঙামাটি সদর হাসপাতালে খুব সহজে কলপোস্কোপি করে জরায়ু মুখ, যোনি ও ভালভার অস্বাভাবিক কোষ পরীক্ষাটি নিয়মিত করা যাবে।
সিভিল সার্জন আরও বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও নতুন নতুন সেবা চালুর জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।