পানছড়িতে জনকল্যাণমূলক সহায়তা, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পাশে দাঁড়াল ৩ বিজিবি

পানছড়িতে জনকল্যাণমূলক সহায়তা, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পাশে দাঁড়াল ৩ বিজিবি

পানছড়িতে জনকল্যাণমূলক সহায়তা, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পাশে দাঁড়াল ৩ বিজিবি
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

পার্বত্যাঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা আরও শক্তিশালী করতে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বিজিবির পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি)। শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণের মাধ্যমে আবারও মানবিক দায়িত্ব পালনের নজির স্থাপন করেছে সীমান্তরক্ষী এই বাহিনী।

সোমবার (৩ আগস্ট) পানছড়ি উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম-এর পরিকল্পনায় এ জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

কর্মসূচির আওতায় পশ্চিম দমদম বায়তুল নুর জামে মসজিদে একটি ১২০ ওয়াটের এমপ্লিফায়ার প্রদান করা হয়, যা ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এছাড়া মোল্লাপাড়া মাদ্রাসাতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম হেফজখানা ও এতিমখানায় একটি কাঠের র‌্যাক, একটি কাঠের টেবিল এবং পাঁচটি প্লাস্টিকের চেয়ার বিতরণ করা হয়। মধ্যনগর আলিম মাদ্রাসায় চার আসনের পাঁচ জোড়া কাঠের বেঞ্চ, একটি কাঠের টেবিল ও পাঁচটি প্লাস্টিকের চেয়ার দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মোল্লাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি স্ট্যাবিলাইজার প্রদান করা হয়, যা বিদ্যালয়ের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নিরাপদ রাখতে সহায়ক হবে।

সামগ্রী বিতরণ শেষে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম বলেন, পার্বত্যাঞ্চলের মানুষের কল্যাণ, শিক্ষা বিস্তার এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে বিজিবি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় এ ধরনের সহায়তা প্রদান করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, শিক্ষা প্রসার এবং সামাজিক উন্নয়নে বিজিবি সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জনগণের সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতেও এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলরা বিজিবির এই উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। তাদের মতে, প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ও অন্যান্য সামগ্রী পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed