খাগড়াছড়িতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

খাগড়াছড়িতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

খাগড়াছড়িতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য জীবনরক্ষাকারী স্বাস্থ্যসেবার সহজলভ্যতা ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে খাগড়াছড়িতে জেলা পর্যায়ের একটি অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় মাতৃস্বাস্থ্য, নবজাতক ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার কার্যকারিতা জোরদারে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সোমবার (৩ আগস্ট) খাগড়াছড়ি পর্যটন মোটেলে উন্নয়ন সংস্থা জাবারাং-এর আয়োজনে এবং হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় “অ্যাক্সেস টু এন্ড ইউটিলাইজেশন অব লাইফসেভিং সার্ভিসেস বাই মার্জিনালাইজড কমিউনিটিস ইন চিটাগং হিল ট্র্যাক্টস ইন বাংলাদেশ” শীর্ষক প্রকল্পের জেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে এফআইভিডিবি (FIVDB)।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া। সভাপতিত্ব করেন জাবারাং কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হাসান মারুফ, প্রকল্পের টিম লিডার এস এম খালেদুল আহসান এবং খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সভাপতি তরুণ কুমার ভট্টাচার্য।

খাগড়াছড়িতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী মানুষের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এখন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে মাতৃস্বাস্থ্য, নবজাতক ও শিশুস্বাস্থ্য, জরুরি চিকিৎসাসেবা এবং জীবনরক্ষাকারী স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে এখনও নানা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। এসব সমস্যা দূর করতে সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন, উন্নয়ন সংস্থা এবং কমিউনিটির সমন্বিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই।

তারা আরও বলেন, নতুন এই প্রকল্পের মাধ্যমে দুর্গম অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করে তোলার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। একই সঙ্গে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনীয় জীবনরক্ষাকারী স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করার ক্ষেত্রেও প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

সভায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি, স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় অংশীজন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন। উপস্থিত বক্তারা পার্বত্য অঞ্চলের স্বাস্থ্যখাতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সকল পক্ষের সমন্বিত অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এ ধরনের উদ্যোগকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

You may have missed