ভারতের দিল্লি থেকে কতিপয় চাকমা নেতার জ্বালানি বন্ধের দাবির তীব্র নিন্দা পিসিসিপির

ভারতের দিল্লি থেকে কতিপয় চাকমা নেতার জ্বালানি বন্ধের দাবির তীব্র নিন্দা পিসিসিপির

ভারতের দিল্লি থেকে কতিপয় চাকমা নেতার জ্বালানি বন্ধের দাবির তীব্র নিন্দা পিসিসিপির
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

ভারতের দিল্লি থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে ডিজেল ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের দাবির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি)। পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটি এই ধরনের পদক্ষেপকে দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে পিসিসিপির কেন্দ্রীয় সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন কায়েস ও সাধারণ সম্পাদক মো. হাবীব আজম এ প্রতিক্রিয়া জানান।

বিবৃতিতে পিসিসিপি নেতারা বলেন, বিদেশের মাটিতে অবস্থান করে বাংলাদেশের অর্থনীতি, শিল্প, কৃষি, পরিবহন ও জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার মতো কোনো পদক্ষেপের আহ্বান অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিশেষ করে ডিজেল ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের দাবি দেশের সাধারণ মানুষের ওপর সরাসরি বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।

তারা বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য, জাতিগত পরিচয় কিংবা আঞ্চলিক কোনো দাবি থাকতেই পারে। তবে সেই মতপার্থক্যের কারণে বিদেশি রাষ্ট্রের কাছে নিজ দেশের জনগণের ক্ষতি হয়—এমন পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক ও নৈতিক দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরই বহন করতে হবে।

পিসিসিপি নেতারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ অঞ্চলের মানুষের উন্নয়ন, নিরাপত্তা, অধিকার ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সুযোগ রয়েছে। তবে এসব সমস্যা সমাধানে বিদেশি শক্তির ওপর নির্ভরতা কিংবা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির পথ গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

তাদের মতে, পার্বত্য চট্টগ্রামের যেকোনো সমস্যা বাংলাদেশের সংবিধান, প্রচলিত আইন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, শান্তিপূর্ণ সংলাপ ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সমাধান করতে হবে।

বিবৃতিতে পিসিসিপি নেতারা বিদেশে অবস্থান করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি কিংবা জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ ক্ষুণ্ন করার আহ্বান জানানো ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্তের দাবি জানান।

একই সঙ্গে তারা বলেন, তদন্তে কোনো ধরনের আইনভঙ্গের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

পিসিসিপির নেতারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষ শান্তি, নিরাপত্তা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উন্নয়ন চায়। তাদের স্বার্থকে সামনে রেখে বিভাজন ও বিদ্বেষের রাজনীতি পরিহার করতে হবে।

তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের কল্যাণে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখার পাশাপাশি দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed