মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা নিশ্চিত করলো যুক্তরাষ্ট্র
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
পৃথিবীর কক্ষপথে একটি মহাকাশ অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্রছবির উৎস,Thomas Traasdahl/Ritzau Scanpix/AFP via Getty Images
ছবির ক্যাপশান,পৃথিবীর কক্ষপথে একটি মহাকাশ অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করেছে যে তারা পৃথিবীর কক্ষপথে একটি মহাকাশ অস্ত্র মোতায়েন করেছে। এই প্রথমবার দেশটি প্রকাশ্যে স্বীকার করল যে তাদের এমন আক্রমণাত্মক সক্ষমতা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর সচিব ট্রয় মেইঙ্ক বলেছেন, শত্রুপক্ষের সম্ভাব্য হামলা থেকে মার্কিন বাহিনীকে সুরক্ষিত রাখতে এই ‘কক্ষপথে মোতায়েন করা’ অস্ত্রটি প্রয়োজনীয় ছিল।
সোমবার অনুষ্ঠিত এয়ার স্পেস অ্যান্ড সাইবার কনফারেন্সে বক্তব্য দেওয়ার সময় মেইঙ্ক বলেন, ‘পরিবর্তনশীল হুমকি’ মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত রয়েছে।
তবে তিনি অস্ত্রটির সক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানাননি এবং এটি ঠিক কখন কক্ষপথে পাঠানো হয়েছে তাও বলেননি।
এর আগে দেশটির সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেছিলেন, তারা মহাকাশে মার্কিন সামরিক সক্ষমতা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন।
তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতের কোনো সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের স্যাটেলাইটে হামলা ও সেগুলোতে বিঘ্ন ঘটানোর উপায় তৈরি করছে রাশিয়া ও চীন।
ট্রাম্প প্রশাসন বলেছে, মহাকাশভিত্তিক সক্ষমতা এবং ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র তাদের পরিকল্পিত ‘গোল্ডেন ডোম’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এই ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য আকাশপথের হুমকি থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য তৈরি করা হচ্ছে।
১৯৬৭ সালের একটি চুক্তির মাধ্যমে কক্ষপথে ব্যাপক ধ্বংসাত্মক অস্ত্র মোতায়েন নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনসহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক শক্তিগুলো ওই চুক্তির আওতার বাইরে থাকা বিভিন্ন ধরনের সক্ষমতা নিয়ে কাজ করে আসছে।
এর মধ্যে প্রতিপক্ষের স্যাটেলাইটকে লক্ষ্যবস্তু করার প্রযুক্তিও রয়েছে। সামরিক যোগাযোগ, নজরদারি ও নেভিগেশনের জন্য এসব স্যাটেলাইট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গত বছর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন, যেখানে বলা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ শক্তি শুধুমাত্র আত্মরক্ষার জন্য নয়, একই সাথে আক্রমণেরও শক্তি।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।