প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের চূড়ান্ত তালিকায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাওলানা যুহাইর ফুরকান
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১-এর চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী ও মহেশখালীর কৃতী সন্তান মাওলানা যুহাইর ফুরকান। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে তিনি অন্যতম।
সোমবার (৫ অক্টোবর) ইউজিসি প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ২৫ জন শিক্ষার্থী স্থান পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে মাওলানা যুহাইর ফুরকানও রয়েছেন।
শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি শিক্ষকতা ও জ্ঞানচর্চায়ও যুক্ত রয়েছেন মাওলানা যুহাইর ফুরকান। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের জামিআতুস শাইখ জমীরুদ্দীনের মুহাদ্দিস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি জামিয়া গোরকঘাটা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা এবং আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামে লেকচারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মাওলানা যুহাইর ফুরকান জামিয়া দারুল মা‘আরিফ আল-ইসলামিয়ার পরিচালক ও বিশিষ্ট আলেম আল্লামা ফুরকান উল্লাহ খলিলের সন্তান। পারিবারিকভাবে ধর্মীয় ও শিক্ষার পরিবেশে বেড়ে ওঠার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষায়ও তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন।
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে মাওলানা যুহাইর ফুরকান বলেন, ‘এ স্বীকৃতি আমার জন্য আনন্দের ও সম্মানের। আমার এ অর্জনের পেছনে বাবা-মা, পরিবার, শিক্ষক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের দোয়া ও সহযোগিতা রয়েছে। আমি মনে করি, এটি শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়; বরং আমার পরিবার, শিক্ষক এবং মহেশখালীর মানুষের জন্যও আনন্দের বিষয়। ভবিষ্যতে জ্ঞানচর্চা ও শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই।’
তাঁর পিতা আল্লামা ফুরকান উল্লাহ খলিল বলেন, ‘সন্তানের কোনো অর্জনই বাবা-মায়ের জন্য আনন্দের চেয়ে বড় হতে পারে না। যুহাইরের এ স্বীকৃতিতে আমরা মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। তার শিক্ষক, সহপাঠী, শুভাকাঙ্ক্ষীসহ যারা বিভিন্নভাবে সহযোগিতা ও দোয়া করেছেন, সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আল্লাহ যেন তাকে ইলমের পথে অটল রেখে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করার তাওফিক দেন।’
শুভাকাঙ্ক্ষী মাওলানা তাকি উল্লাহ বলেন, মাওলানা যুহাইর ফুরকানের এ অর্জন মহেশখালীর জন্য আনন্দের ও গর্বের। মেধা, অধ্যবসায় ও জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে তিনি এ পর্যায়ে পৌঁছেছেন। তাঁর এ সাফল্য তরুণ শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও জ্ঞানার্জনে উৎসাহিত করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মাওলানা যুহাইর ফুরকানের প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁর পরিবার, স্বজন, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরাও তাঁর এ অর্জনকে মহেশখালীর শিক্ষাঙ্গনের জন্য উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে দেখছেন।
তাঁদের প্রত্যাশা, জাতীয় পর্যায়ের এ স্বীকৃতি মহেশখালীর শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চায় আরও উৎসাহিত করবে। একই সঙ্গে মাওলানা যুহাইর ফুরকানের মতো শিক্ষার্থীদের সাফল্য প্রত্যন্ত এলাকার তরুণদেরও উচ্চশিক্ষা ও মেধার বিকাশে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।