রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশেষ যৌথ অভিযান, সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ আটক কুখ্যাত ডাকাত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশেষ যৌথ অভিযান, সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ আটক কুখ্যাত ডাকাত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশেষ যৌথ অভিযান, সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ আটক কুখ্যাত ডাকাত
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ সাদ্দাম বাহিনীর এক সক্রিয় সদস্য ও এক ডাকাতকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার, একজন ভিকটিমকে উদ্ধার এবং পাঁচটি ওয়ারেন্ট রিকল মূলে নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) টেকনাফ ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)-এর আওতাধীন রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে ১৬ এপিবিএন, জেলা পুলিশ, জেলা প্রশাসন, এসআরবি, বিজিবি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ব্যাটালিয়ন আনসার ও কোস্ট গার্ডের মোট ১০৫ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নেন।

অভিযানে একটি রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে চার মাস ১০ দিনের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সময়ে পৃথক অভিযানে সাদ্দাম বাহিনীর এক সক্রিয় সদস্য এবং এক ডাকাতকে আটক করা হয়। এছাড়া গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত পৃথক অভিযানে আরও তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযানের সময় অপরাধের শিকার এক ভিকটিমকেও উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে আদালতের আদেশ ও সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রিকল মূলে পাঁচটি ওয়ারেন্ট নিষ্পত্তি করা হয়েছে। বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অনলাইন জুয়া, মাদক সেবন, বাবা-মাকে মারধর এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার মতো অপরাধের বিরুদ্ধেও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় তিনজনকে যথাক্রমে চার মাস, এক মাস ও এক মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সংস্থার সদস্যদের সমন্বয়ে পরিচালিত এ অভিযানে অপরাধী শনাক্তকরণ, সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার, ভিকটিম উদ্ধার এবং তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। ফলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতার গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে।

১৬ এপিবিএন সূত্র জানায়, অভিযানে গ্রেপ্তার ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ক্যাম্প এলাকায় অপরাধ দমন, মাদক ও অনলাইন জুয়ার মতো অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

টেকনাফ ১৬ ব্যাটালিয়ন এপিবিএনের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি কাউছার সিকদার বিশেষ যৌথ অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *