বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবিতে ২ দিনের ছুটি পাচ্ছেন পাহাড়িরা, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকায় পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কর্মরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসাবি উদযাপনে দুই দিন ঐচ্ছিক ছুটির বিধান রাখা হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা, মারমা, ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসাবি উদযাপনে এ ছুটির সুযোগ রাখা হয়েছে।
২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আগামী বছর সাধারণ ও নির্বাহী আদেশ মিলিয়ে মোট ২৯ দিন সরকারি ছুটি থাকলেও সাপ্তাহিক ছুটি বাদে কার্যকর ছুটি থাকবে ২২ দিন।
সোমবার(২ নভেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে ১৫ দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। এর মধ্যে চার দিন শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলে গেছে। এছাড়া বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ১৪ দিন সরকারি ছুটি থাকবে। এর মধ্যে তিন দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পড়েছে।
সব মিলিয়ে ২৯ দিনের সরকারি ছুটির মধ্যে সাত দিন সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলে যাওয়ায় কার্যকর ছুটি থাকবে ২২ দিন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও জানান, সরকারি কর্মচারীরা নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী বছরে সর্বোচ্চ তিন দিন ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন। পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের অন্যান্য এলাকায় কর্মরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীরা তাঁদের প্রধান সামাজিক উৎসব, যেমন বৈসাবি উদযাপনে দুই দিন ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করতে পারবেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক জীবনে বৈসাবি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎসব। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের জন্য ঐচ্ছিক ছুটির বিধানটি ২০২৭ সালের ছুটির তালিকায় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।