১ দিনের অবরোধ শিথিলতার আড়ালে ইউপিডিএফ কী রসদ সংগ্রহ করছে?

১ দিনের অবরোধ শিথিলতার আড়ালে ইউপিডিএফ কী রসদ সংগ্রহ করছে?

১ দিনের অবরোধ শিথিলতার আড়ালে ইউপিডিএফ কী রসদ সংগ্রহ করছে?
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

হান্নান সরকার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, রাঙামাটি সাজেক পর্যটন সড়কে অবরোধ সম্পূর্ণ তুলে না নিয়ে কেবল ১ নভেম্বরের (রবিবার) জন্য তা শিথিল করা পুরোপুরি নিজেদের রসদ সংগ্রহ করার একটি কৌশলগত চাল। ইউপিডিএফ মদদপুষ্ট সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির ৩০ অক্টোবরের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, জনগণের মৌলিক চাহিদা এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ‘কঠিন চীবর দানোৎসব’-এর কথা বলা হলেও, এর মূল উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের কল্যাণ নয়।

স্থায়ীভাবে অবরোধ প্রত্যাহার করে আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের পথ বেছে না নিয়ে বরং ১ দিন পর থেকে পুনরায় অনির্দিষ্টকালের অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ার মাধ্যমে ইউপিডিএফ মূলত কয়েকটি হীন উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে চাইছে।

রসদ ও নিজেদের অবস্থান সুরক্ষিত করা: দীর্ঘদিন ধরে চলা অবরোধের কারণে নিজেদের সশস্ত্র ক্যাডার ও আস্তানার রসদ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং নিজেদের যাতায়াত সচল রাখতেই এই ১ দিনের বিরতি দেওয়া হয়েছে।

একক আধিপত্য বজায় রাখা: সাজেক ও এর আশপাশের সীমান্ত অঞ্চলে নিজেদের চাঁদাবাজির রুট এবং প্রতিপক্ষ জেএসএস-এর বিরুদ্ধে আধিপত্য ধরে রাখতে তারা এই অবরোধকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।

জনগণকে জিম্মি করার রাজনীতি: স্থায়ী সমাধান বা প্রশাসনের সঙ্গে সমঝোতায় না গিয়ে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ জিইয়ে রাখার অর্থ হলো, পাহাড়ের পর্যটন শিল্প ধ্বংস করে অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে নিজেদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে আটকে রাখা।

সংকট নিরসনে সরকারের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ও জনদুর্ভোগকে পাত্তা না দিয়ে ইউপিডিএফের এই একরোখা অবরোধ কর্মসূচি প্রমাণ করে যে, পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা নয়, বরং নিজেদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও অবৈধ আধিপত্য টিকিয়ে রাখাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *