“পার্বত্য নারীদের উত্তরাধিকার নিশ্চিত করুন” - Southeast Asia Journal

“পার্বত্য নারীদের উত্তরাধিকার নিশ্চিত করুন”

“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

পার্বত্য নারীদের উত্তরাধিকার নিশ্চিত করুন স্লোগানে খাগড়াছড়িতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১১তম পার্বত্য নারী সম্মেলন।

বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) সকালে জেলা শহরের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

উইমেন রিসোর্স নেটওয়ার্ক এর আয়োজনে এবং খাগড়াপুর মহিলা কল্যাণ সমিতির সহযোগিতায় উইমেন রিসোর্স নেটওয়ার্কের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট সুষ্মিতা চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স’র চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় এবং উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মং সার্কেল চীফ সাচিংপ্রু চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলায় প্রশাসক (রাজস্ব) কাজী মো. আলিম উল্লাহ, মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য নিরুপা দেওয়ান, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য শতরুপা চাকমা, খাগড়াপুর মহিলা কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক ও উইমেন রিসোর্স নেটওয়ার্কে সাবেক সমন্বয়কারী শেফালিকা ত্রিপুরা, বান্দরবান জেলা হেডম্যান এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও চাম্বী মোজার (বোমাং সার্কেল চীফের প্রতিনিধি) হেডম্যান টিমং প্রু মারমা, সিএইচটি নারী হেডম্যান-কারবারি নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক জয়া ত্রিপুরা।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে রাঙামাটি জেলা হেডম্যান নেটওয়ার্ক এর সাধারণ সম্পাদক শান্তি বিজয় চাকমা, খাগড়াছড়ি হেডম্যান এসোসিয়েশনের সভাপতি চাইথোয়াই মারমা, জেলা কারবারি এসোসিয়েশনের সভাপতি রনিক ত্রিপুরা, সাধারণ সম্পাদক হেমরঞ্জন চাকমা, বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের সুশীল জীবন ত্রিপুরাসহ তিন পার্বত্য জেলার নারী নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেন, ‘নারীরা নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করতে না পারলে, কোন আইন প্রয়োগ করে কিংবা আন্দোলনের মাধ্যমেও সুফল পাবে, এমনটা আশা করা যায় না। ভালো কিছু করার জন্য যে আশা-আকাঙ্খা, প্রবণতা এটি একটি উন্নত দিক। নারীরা কখনো দুর্বল নয়, সর্বশ্রেষ্ঠা। নারীরা চাইলেই সবকিছু পারে। তারা পুরুষের চাইতেও শক্তিশালী।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নারী, স্পিকার নারী, শিক্ষামন্ত্রী নারী, বিমান চালক নারী। সর্বক্ষেত্রে নারীদের জয়জয়কার। তাই নারীরা আজ পিছিয়ে নেয়। অতীতের তুলনায় নারীরা বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আন্দোলনমুখী ও সচেতন। তা একদিনে পরিণতি লাভ করেনি। পেছনে রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস। ১৭৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লবের সাম্য-মৈত্রী-স্বাধীনতার আহ্বান বিশ্বব্যাপী নারী কর্মীদের কাছে অভূতপূর্ব সাড়া ফেলে’

You may have missed