খাগড়াছড়িতে এক যুগেও চালু হয়নি ৬ কোটি টাকার ছাত্রাবাস - Southeast Asia Journal

খাগড়াছড়িতে এক যুগেও চালু হয়নি ৬ কোটি টাকার ছাত্রাবাস

“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

শুধু জনবল না থাকায় ১২ বছরেও চালু হয়নি খাগড়াছড়িতে নির্মিত তিনটি ছাত্রাবাস। ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ছাত্রাবাসগুলোর আসবাবপত্রও এখন নষ্টের পথে। এগুলো চালু না হওয়ায় দুর্গম এলাকায় শিক্ষার্থী ঝরে পড়াও বন্ধ হয়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুর্গম পাহাড়ে অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে প্রাথমিকের গণ্ডি পেরোনোর আগেই ঝরে পড়ে অনেক শিক্ষার্থী। এই ঝরে পড়া রোধে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি, লক্ষ্মীছড়ি ও পানছড়ি উপজেলায় ২০১১ সালে তিনটি ছাত্রাবাস নির্মাণ হয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে। ব্যয় হয় ৬ কোটি টাকা। ছাত্রাবাস চালু হলে থাকা, খাওয়াসহ বিভিন্ন সুবিধা পাবে ২৪০ জন শিক্ষার্থী।

কিন্তু জনবল না থাকায় ১২ বছরেও সেগুলো চালু করতে পারেননি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ফলে অনেক ঘর ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। নষ্ট হয়ে গেছে চেয়ার-টেবিলসহ নানা সরঞ্জাম।

শিক্ষকেরা জানান, থাকার সমস্যা থাকলেও ছাত্ররা এসব ছাত্রাবাসে থাকতে পারছে না। দিনে দিনে ছাত্রাবাসগুলো আরও নষ্ট হচ্ছে। এগুলো এখনই ঠিক না করলে আর রক্ষা করা সম্ভব হবে না। এদিকে আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় ছাত্ররা ঝরে পড়ছে। শিক্ষার্থী ঝরে পরা রোধ এবং ভোগান্তি কমাতে ছাত্রাবাসগুলো চালু করা জরুরি।

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির খাগড়াছড়ির সাধারণ সম্পাদক কার্তিক ত্রিপুরা বলেন, ছাত্রাবাসগুলো চালু হলে দুর্গম এলাকা থেকে আসা শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে এবং ঝরে পড়া রোধ সম্ভব হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লক্ষীছড়ি ও পানছড়ির দুটি ছাত্রাবাস সংস্কারের জন্য এক কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। জনবল নিয়োগ ও সংস্কার করে ছাত্রবাসগুলো চালুর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাহাব উদ্দিন বলেন, ছাত্রাবাস দুটোই চালু হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের সদিচ্ছা আছে। প্রাথমিক দপ্তর থেকে আমাদের কাছ থেকে তথ্যগুলো নেওয়া হয়েছে। আশা করছি শিগগিরই ছাত্রাবাসগুলো চালু হবে।

-ইনডিপেনডেন্ট