সেনা পাঠিয়ে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টকে হটানোর আহ্বান বিজেপি নেতার - Southeast Asia Journal

সেনা পাঠিয়ে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টকে হটানোর আহ্বান বিজেপি নেতার

“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে জোরপূর্বক মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুকে অপসারণের আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি দলের একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ। গতকাল (১৪ জানুয়ারি) মালদ্বীপ থেকে ১৫ মার্চের মধ্যে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের সময় বেঁধে দেওয়ার পর এই মন্তব্য করেছেন বিজেপির নেতা।

দ্য মালদ্বীপ জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (১৫ জানুয়ারি) ভারতের সাবেক বিধায়ক ও মন্ত্রী সুব্রামানিয়ান স্বামী তার ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্টের একটি পোস্টে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর ঘোষণার বিষয়ে মন্তব্য করেছেন।

তিনি পোস্টে লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ডক্টর মুইজ্জুর আদেশ মেনে চলবেন, নাকি তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ভারতীয় সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী পাঠাবেন। তিনি মালদ্বীপ দখলের জন্য ভারতকে শক্তি প্রয়োগে উৎসাহিত করেন।

সুব্রামানিয়ান স্বামী রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সদস্য বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, আরএসএস একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন যা ভারতকে একীভূত করতে চায়।

এদিকে মালদ্বীপ থেকে দ্রুত ভারতীয় সেনা প্রত্যাহার করতে সম্মত হয়েছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ কথা জানিয়েছে।

সোমবার মালদ্বীপ ও ভারতের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের কোর গ্রুপের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মালদ্বীপের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের ওপর আলোকপাত করা হয়।

মুইজ্জু বলেছেন, ভারত তাদের পরিকল্পিত ১৫ মার্চের সময়সীমাতে সম্মতি দিয়েছে। প্রস্তাবটি তিনি কোর গ্রুপের বৈঠকে উত্থাপন করেছিলেন।

মুইজ্জু রোববার ঘোষণা করেছেন, চিকিৎসার জন্য ভারতের ওপর মালদ্বীপের নির্ভরতা কমাতে সরকার থাইল্যান্ড ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে ঝুঁকছে। উপরন্তু, ভারত থেকে ওষুধ আমদানির পরিবর্তে সরকার ইউরোপ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ওষুধ আমদানি করার চেষ্টা করছে। সেইসঙ্গে মালদ্বীপে আগামী মার্চ থেকে ভারতীয় হেলিকপ্টার ও ডর্নিয়ার প্লেনে করে আর রোগীদের পরিবহন করা হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এছাড়াও গত সপ্তাহে প্রথম চীন সফরের পর মুইজ্জু বলেছিলেন, চীন এমন সময়ে মালদ্বীপকে পর্যটনের শীর্ষ বাজারে পরিণত করতে কাজ করছে যখন ভারত মালদ্বীপের পর্যটন বয়কট শুরু করেছে।