মালয়েশিয়ার অবৈধ অভিবাসী আটক কেন্দ্র থেকে পালিয়েছে ১৩১ রোহিঙ্গা - Southeast Asia Journal

মালয়েশিয়ার অবৈধ অভিবাসী আটক কেন্দ্র থেকে পালিয়েছে ১৩১ রোহিঙ্গা

মালয়েশিয়ার অবৈধ অভিবাসী আটক কেন্দ্র থেকে পালিয়েছে ১৩১ রোহিঙ্গা
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

মালয়েশিয়ার একটি অবৈধ অভিবাসী আটক কেন্দ্র থেকে পালিয়েছে ১৩১ রোহিঙ্গা। বৃহস্পতিবার রাতে দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য পেরাকে অবস্থিত বিডোর ডিটেনশন সেন্টার থেকে পালায় তারা। পলাতক রোহিঙ্গাদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। খবর আল জাজিরা ও রয়টার্সের।

মালয়শিয়ার অভিবাসন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পেরাক রাজ্যের বিডোর থেকে মোট ১৩১ জন লোক পালিয়ে গেছে। পালিয়ে যাওয়ার সময় একজন নিহত হয়েছে।

পেরাক রাজ্য পুলিশ জানিয়েছে, পলাতকদের মধ্যে ১১৫ জন রোহিঙ্গা মুসলিম এবং বাকিরা মিয়ানমারেরই অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর লোক। ডিটেশন ক্যাম্পে দাঙ্গা লাগিয়ে সেই সুযোগে রোহিঙ্গারা পালিয়ে যায়।

অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক রুসলিন জুসোহ বলেন, পলাতকদের সন্ধানে ৩৭৫ জন পুলিশ, সৈন্য ও সংরক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করা হয়েছে।

মিয়ানমারে ২০১৭ সালে তৎকালীন সরকার ও সেনা বাহিনীর দমনপীড়নের শিকার হয়ে সীমান্ত পেরিয়ে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। অনেকে ঢুকে পড়ে মালয়েশিয়াতেও।

  • আন্তর্জাতিক অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরে নিবন্ধিত ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩০০ জন শরণার্থী মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছে। তাদের মধ্যে ৮৮ শতাংশ মিয়ানমারের মানুষ।

ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, মালয়েশিয়ায় নিবন্ধিত শরণার্থীদের মধ্যে ১ লাখ ৭ হাজার ৬৭০ জনের মতো রোহিঙ্গা রয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা গত মাসে জানিয়েছে, ২০২৩ সালে মিয়ানমার থেকে সমুদ্র পাড়ি দিতে গিয়ে ৫৬৯ জন রোহিঙ্গা মারা গেছে বা নিখোঁজ হয়েছে।

তিন বছর আগে মিয়ানমারে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে সামরিক জান্তা বাহিনী। এরপর থেকেই দেশটিতে গৃহযুদ্ধ চলছে।

এমন পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর নিপীড়নের মুখে রোহিঙ্গাসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর লোকজনের মিয়ানমার ছেড়ে পালিয়ে আসার প্রবণতা বেড়েছে। যাদের অনেকেই মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

যদিও মালয়েশিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন প্রক্রিয়াকরণের কোনো ব্যবস্থা নেই এবং শরণার্থীদের অবৈধ অভিবাসী হিসেবেই বিবেচনা করা হয়।