শীতার্ত-অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াল সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়ন

শীতার্ত-অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াল সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়ন

শীতার্ত-অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াল সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়ন
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

শীতের তীব্রতায় যখন পাহাড়ি জনপদে অসহায় ও দুস্থ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে, তখন মানবিক সহায়তা নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর ২০৩ পদাতিক ব্রিগেড ও খাগড়াছড়ি রিজিয়নের উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি ২০২৬) বেলা সাড়ে ১২টায় খাগড়াছড়ি শহরের আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত শীতার্ত, অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে এ শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। শীতের প্রকোপে কষ্টে থাকা মানুষদের মাঝে এই সহায়তা স্বস্তি ও আশার বার্তা নিয়ে আসে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন ২০৩ পদাতিক ব্রিগেডের ডিকিউ মেজর মো. ওমর ফারুক সুমন।

ব্রিগেডের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মোট ৪১টি কম্বল শীতার্ত মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ সময় সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা অসহায় মানুষের খোঁজখবর নেন এবং শীতজনিত কষ্ট লাঘবে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

শীতবস্ত্র বিতরণকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, শীত মৌসুমে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কষ্ট লাঘব করা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মানবিক দায়িত্বেরই অংশ। সীমান্ত ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও সংকটে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো সেনাবাহিনীর দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য।

স্থানীয় বাসিন্দারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান। তারা বলেন, প্রতি বছর শীত মৌসুম এলেই সেনাবাহিনী দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ায়। এতে অসহায় মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব হয় এবং তারা মানসিকভাবে সাহস পায়।

একজন উপকারভোগী বলেন, “এই প্রচণ্ড শীতে আমাদের মতো গরিব মানুষের পক্ষে কম্বল কেনা সম্ভব নয়। সেনাবাহিনী কম্বল দিয়ে আমাদের অনেক উপকার করেছে।”

এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের জন্য স্থানীয় জনগণ ২০৩ পদাতিক ব্রিগেড তথা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও সেনাবাহিনী পাহাড়ি অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশে থেকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

উল্লেখ্য, পার্বত্য অঞ্চলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ শুধু শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবই নয়, বরং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করছে—যা দীর্ঘমেয়াদে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

You may have missed