পাহাড় কেটে রিসোর্ট নির্মাণ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: রাঙামাটিতে পার্বত্য মন্ত্রী

পাহাড় কেটে রিসোর্ট নির্মাণ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: রাঙামাটিতে পার্বত্য মন্ত্রী

পাহাড় কেটে রিসোর্ট নির্মাণ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: রাঙামাটিতে পার্বত্য মন্ত্রী
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

পরিবেশ ধ্বংস করে বা পাহাড় কেটে কোনো ধরনের রিসোর্ট কিংবা পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ বরদাশত করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

মঙ্গলবার দুপুরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে পরিষদের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করে পর্যটন শিল্পের বিকাশ সরকার সমর্থন করে না। বরং পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করে পরিবেশবান্ধব বা ‘ইকো-ট্যুরিজম’ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য হওয়া উচিত। উন্নয়নের নামে অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত। উন্নয়নের নামে শুধু প্রকল্প তৈরি করে অর্থ অপচয়ের সুযোগ আর থাকবে না। যেখানে প্রয়োজন নেই সেখানে প্রকল্প নেওয়া যাবে না এবং প্রতিটি কাজের যথাযথ তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।

অবকাঠামো উন্নয়ন প্রয়োজনীয় পর্যায়ে হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যেখানে একান্ত জরুরি সেখানেই কাজ চলবে। দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা দূর করে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। জেলা পরিষদের কার্যক্রমের মাধ্যমেই জেলার উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে উল্লেখ করে সেবার নামে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত না করারও হুঁশিয়ারি দেন।

সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা পাহাড়ি অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি ও দুর্গমতার বিষয়টি তুলে ধরেন। তারা জানান, সমতলের তুলনায় পাহাড়ে পরিবহন ও শ্রমিক খরচ বেশি হওয়ায় দরপত্রের সিডিউল রেট সমতলের মতো নির্ধারণ যৌক্তিক নয়। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। পাশাপাশি কাপ্তাই লেক-এর মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন, ইকো-ট্যুরিজম, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে বিশেষ সহযোগিতা চাওয়া হয়।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ-এর চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড-এর ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিমসহ পরিষদের সদস্যরা।

উল্লেখ্য, পার্বত্য অঞ্চলে পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানের বার্তা স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

You may have missed