চীনের নিকটবর্তী এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে জাপান

চীনের নিকটবর্তী এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে জাপান

চীনের নিকটবর্তী এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে জাপান
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

জাপান মার্চের শেষ নাগাদ চীনের নিকটবর্তী দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে দীর্ঘপাল্লার পাল্টা আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করবে বলে সোমবার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

সরকারের প্রধান মুখপাত্র ও প্রধান মন্ত্রিপরিষদসচিব মিনোরু কিহারা নিয়মিত ব্রিফিংয়ে জানান, গ্রাউন্ড সেলফ-ডিফেন্স ফোর্স কিউশু অঞ্চলের কুমামোতোতে টাইপ-১২ ভূমি-থেকে-জাহাজ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করার পরিকল্পনা করেছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রায় এক হাজার কিলোমিটার বলে জানা গেছে।

তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের অবহিত করবে।

পূর্ব চীন সাগরে চীনের নৌতৎপরতা বাড়তে থাকায় জাপান তার সামরিক সক্ষমতা জোরদার করার চেষ্টা করছে।

জাপান ‘পাল্টা আঘাত’ সক্ষমতা গড়ে তুলতে চায়, যাতে দেশটি সরাসরি হামলার শিকার হলে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে শত্রুর ঘাঁটিতে আঘাত হানতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি গত নভেম্বরে ইঙ্গিত দেন, স্বশাসিত তাইওয়ানের ওপর কোনো হামলা হলে টোকিও সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে পারে। এর পর থেকেই জাপান-চীন সম্পর্ক দ্রুত অবনতি ঘটে।

চীন তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনাও নাকচ করেনি।

তাকাইচির মন্তব্যের পর থেকে বেইজিং টোকিওর ওপর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করেছে এবং চীনা নাগরিকদের জাপান ভ্রমণ নিরুৎসাহিত করেছে।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, স্থানীয় জনগণকে আগাম না জানিয়ে রাতারাতি কুমামোতোতে এসব ক্ষেপণাস্ত্রের একটি লঞ্চার পৌঁছে দিয়েছে জাপানের স্থলবাহিনী। এর প্রতিবাদে স্থানীয় একটি সামরিক ঘাঁটির সামনে কয়েক ডজন মানুষ বিক্ষোভ করেছেন।

সমালোচকদের মতে, এসব ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হলে এলাকাটি সম্ভাব্য শত্রু হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed