সেনাবাহিনীর সহায়তায় ঘাগড়ায় ক্রীড়ার জাগরণ: নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড় তৈরিতে আশার আলো

সেনাবাহিনীর সহায়তায় ঘাগড়ায় ক্রীড়ার জাগরণ: নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড় তৈরিতে আশার আলো

সেনাবাহিনীর সহায়তায় ঘাগড়ায় ক্রীড়ার জাগরণ: নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড় তৈরিতে আশার আলো
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

পার্বত্য অঞ্চলে ক্রীড়া ও শিক্ষার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় পাহাড়ি জেলা রাঙামাটির ঘাগড়ায় শিক্ষার্থী ও তরুণদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেছে সেনাবাহিনীর রাঙামাটি জোন। আর এ উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

আজ সোমবার (৬ এপ্রিল ২০২৬) দুপুরে রাঙামাটি জোন (৬০ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. একরামুল রাহাত কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও ঘাগড়া ফুটবল ক্লাব পরিদর্শন করেন এবং সেখানে শিক্ষার্থী ও খেলোয়াড়দের মাঝে বিভিন্ন ক্রীড়া সরঞ্জামাদি বিতরণ করেন।

সেনাবাহিনীর সহায়তায় ঘাগড়ায় ক্রীড়ার জাগরণ: নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড় তৈরিতে আশার আলো

এদিন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ১৬ জোড়া জার্সি, ১৬ জোড়া ফুটবল বুট এবং ৮টি ফুটবল প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ঘাগড়া ফুটবল ক্লাবের খেলোয়াড়দের জন্য আরও ২টি ফুটবল দেওয়া হয়, যা স্থানীয় তরুণদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয়রা জানান, দুর্গম পার্বত্য এলাকায় ক্রীড়া চর্চার সুযোগ সীমিত হওয়ায় এমন উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। বিশেষ করে ঘাগড়া এলাকা দেশের গর্ব ঋতুপর্ণা চাকমার জন্মভূমি হিসেবে পরিচিত।

এখান থেকেই জাতীয় মহিলা ফুটবল দলে উঠে এসে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য অর্জন করেছেন তিনি। ফলে এই এলাকায় আরও অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা।

সেনাবাহিনীর সহায়তায় ঘাগড়ায় ক্রীড়ার জাগরণ: নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড় তৈরিতে আশার আলো

সংশ্লিষ্টরা বলেন, সেনাবাহিনীর এই সহায়তা কেবল ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ—যার মাধ্যমে পাহাড়ি অঞ্চলের তরুণদের মধ্যে শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস ও দলগত চেতনা গড়ে উঠবে। এতে ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন নতুন খেলোয়াড় উঠে আসার পথ আরও সুগম হবে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, খেলাধুলা তরুণদের ইতিবাচক পথে পরিচালিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাদকাসক্তি, অপরাধ ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়ার বিকল্প নেই। তাই পার্বত্য অঞ্চলে ক্রীড়া, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সেনাবাহিনীর সহায়তায় ঘাগড়ায় ক্রীড়ার জাগরণ: নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড় তৈরিতে আশার আলো

স্থানীয় অভিভাবক, শিক্ষক ও ক্রীড়াবিদরা সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগকে অত্যন্ত প্রশংসনীয় উল্লেখ করে বলেন, ঘাগড়ার মতো প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে জাতীয় দলে খেলোয়াড় উঠে আসার যে সম্ভাবনা রয়েছে, তা বাস্তবায়নে এই ধরনের সহায়তা বড় ভূমিকা রাখবে।

তারা আশা প্রকাশ করেন, ধারাবাহিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এখান থেকে আরও অনেক ঋতুপর্ণা তৈরি হবে, যারা দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed