বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের ৭৭ নাগরিককে পাচার, বিচারের মুখে মালয়েশিয়ার সাবেক সরকারি কর্মচারী

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের ৭৭ নাগরিককে পাচার, বিচারের মুখে মালয়েশিয়ার সাবেক সরকারি কর্মচারী

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের ৭৭ নাগরিককে পাচার, বিচারের মুখে মালয়েশিয়ার সাবেক সরকারি কর্মচারী
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যের আলোস্তার দায়রা আদালতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের ৭৭ জন নাগরিককে পাচারের অভিযোগে এক সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও তার বন্ধুর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন- ৩৮ বছর বয়সি মুহাম্মদ ইজুদ্দিন মুস্তাফা এবং ৩৫ বছর বয়সি আলিফ এজরি ইসমাইল। গত ১৪ মার্চ ভোরে তামান পেলাঙ্গির সিমপাং ৩ ট্রাফিক লাইটের কাছে রাস্তার পাশে এই বিপুল সংখ্যক অভিবাসীকে পাচারের সময় তারা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।

স্থানীয় সময় সোমবার (৬ এপ্রিল) আলোস্তার দায়রা আদালতে একজন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও তার বন্ধুকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আদালতের বিচারক এন প্রিসিলা হেমামালিনির সামনে অভিযোগ পাঠ করা হলে তারা বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন বলে জানান।

তদন্তকারী কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, অভিযুক্তরা অ্যান্টি-ট্রাফিকিং ইন পারসনস অ্যান্ড অ্যান্টি-স্মাগলিং অব মাইগ্রেন্টস অ্যাক্ট ২০০৭-এর ধারা ২৬জে অনুযায়ী অপরাধ করেছেন। এই অপরাধ প্রমাণিত হলে তাদের সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, আড়াই লাখ রিঙ্গিত পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে।

প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে অভিযুক্তদের জামিন দেয়ার কোনো সুযোগ নেই এবং ৭৭ জন অভিবাসীর জবানবন্দি রেকর্ড করার পর মামলাটি উচ্চ আদালতে স্থানান্তর করা হবে।

মামলাটির পরবর্তী শুনানির জন্য আদালত আগামী ৮ জুন তারিখ ধার্য করেছেন। বর্তমান শুনানিতে মুহাম্মদ ইজুদ্দিনের পক্ষে আইনজীবী আমনাচ ই নিয়াম উপস্থিত থাকলেও আলিফ এজরির পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

উদ্ধার ৭৭ জন অভিবাসীর আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তরা পুলিশের হেফাজতে থাকবেন বলে আদালত নিশ্চিত করেছেন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।