বিজু-সাংগ্রাই উৎসবে পাহাড়ি সম্প্রদায়কে সেনাবাহিনীর লক্ষীছড়ি জোনের আর্থিক সহায়তা

বিজু-সাংগ্রাই উৎসবে পাহাড়ি সম্প্রদায়কে সেনাবাহিনীর লক্ষীছড়ি জোনের আর্থিক সহায়তা

বিজু-সাংগ্রাই উৎসবে পাহাড়ি সম্প্রদায়কে সেনাবাহিনীর লক্ষীছড়ি জোনের আর্থিক সহায়তা
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মহা বিজু, সাংগ্রাই ও বৈশাখী উৎসব উপলক্ষে পাহাড়ি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের আয়োজকদের আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর ২৪ আর্টিলারি ব্রিগেড ও গুইমারা রিজিয়নের অধীনস্থ লক্ষীছড়ি জোনের উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এ সহায়তা প্রদান করা হয়।

জানা যায়, লক্ষীছড়ি, বার্মাছড়ি ও দুল্যাতলী এলাকার বিভিন্ন আয়োজক কমিটির মধ্যে র‌্যালি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

বিজু-সাংগ্রাই উৎসবে পাহাড়ি সম্প্রদায়কে সেনাবাহিনীর লক্ষীছড়ি জোনের আর্থিক সহায়তা

পাহাড়ের অন্যতম প্রধান সামাজিক উৎসব মহা বিজু, সাংগ্রাই ও বৈশাখী উদযাপনকে ঘিরে এ উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষীছড়ি জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ তাজুল ইসলাম।

বিজু-সাংগ্রাই উৎসবে পাহাড়ি সম্প্রদায়কে সেনাবাহিনীর লক্ষীছড়ি জোনের আর্থিক সহায়তা

এছাড়াও অনুষ্ঠানে পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট আয়োজক কমিটির সদস্যবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের এই ঐতিহ্যবাহী মহা বিজু, সাংগ্রাই ও বৈশাখী উৎসব শুধু একটি সামাজিক অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মাঝে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক অনন্য বন্ধন তৈরি করে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময়ই বিশ্বাস করে—শান্তি ও উন্নয়নের মূল ভিত্তি হচ্ছে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা। সেই লক্ষ্যেই আমরা স্থানীয় জনগণের পাশে থেকে তাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে, যাতে পাহাড়ের প্রতিটি মানুষ নিরাপদ, সম্মানজনক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে তাদের উৎসব পালন করতে পারে।”

বিজু-সাংগ্রাই উৎসবে পাহাড়ি সম্প্রদায়কে সেনাবাহিনীর লক্ষীছড়ি জোনের আর্থিক সহায়তা

বক্তারা বলেন, মহা বিজু ও সাংগ্রাই চাকমা ও মারমা সম্প্রদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্যবাহী উৎসব, যা পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। এই উৎসবকে ঘিরে সেনাবাহিনীর এমন সহায়তা আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।

স্থানীয় জনগণ ও ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা বলেন, এ ধরনের সহযোগিতা সেনাবাহিনী ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে আস্থা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।

উল্লেখ্য, পার্বত্য অঞ্চলে সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং স্থানীয় জনগণের কল্যাণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে বিভিন্ন মানবিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed