বৈচিত্র্যের রঙে ঐক্যের উৎসব: খাগড়াছড়িতে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ আয়োজন
![]()
নিউজ ডেস্ক
পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে পাহাড়ের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের বর্ণিল মেলবন্ধনে অনুষ্ঠিত হয়েছে বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু, বিষু, বিহু, সাংলান, পাতা, সাংগ্রাইং, সাংক্রাই, চাংক্রান, চৈত্র সংক্রান্তি এবং বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য আয়োজন।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল ২০২৬) খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এই উৎসবের সমাপনী দিনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি পরিণত হয় বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর ২০৩ পদাতিক ব্রিগেড ও খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ওবায়দুল হক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিজিয়ন কমান্ডারের সহধর্মিনী নাজিয়া আমিন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা এবং খাগড়াছড়ি সদর জোন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ খাদেমুল ইসলাম।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রিজিয়নের স্টাফ অফিসার মেজর কাজী মোস্তফা আরেফিন, খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মো. মোরতোজা আলী খাঁনসহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ওবায়দুল হক বলেন, পাহাড়ের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের এই চমৎকার উপস্থাপনা যেন রঙধনুর সাত রঙের মতো—বৈচিত্র্যের মাঝে এক অপূর্ব ঐক্যের প্রতিচ্ছবি।
অতিথিরা বলেন, পাহাড় মানেই উৎসব, আনন্দ ও প্রাণের স্পন্দন। বছরের বিভিন্ন সময়ে আয়োজিত এসব উৎসব পার্বত্য জনপদের সংস্কৃতিকে জীবন্ত রাখার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রসঙ্গত, পার্বত্য অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবগুলো শুধু সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহাবস্থানের একটি শক্তিশালী বার্তাও বহন করে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।