ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইরানের প্রতিনিধিদলের বৈঠক

ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইরানের প্রতিনিধিদলের বৈঠক

ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইরানের প্রতিনিধিদলের বৈঠক
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের আগে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফের নেতৃত্বে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেছে দেশটির প্রতিনিধিদল। আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকালে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে আল জাজিরা। বৈঠকটির বিষয়টি নিশ্চিত করে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আরও জানায় যে, ‘এই বৈঠক শেষে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের বৈঠকের আয়োজন চূড়ান্ত করা হবে’।

মধ্যপ্রাচ্যের টানটান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী রূপ দিতে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শুরু হওয়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। সবার নজর এখন পাকিস্তানের দিকে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠকে যেসব মূল বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে

তেহরান বলছে, আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হবে তখনই যখন ওয়াশিংটন লেবাননে যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেবে।

ইরান লেবাননে যুদ্ধবিরতি চায়, যেখানে মার্চ থেকে ইসরাইলের হামলায় প্রায় ২,০০০ মানুষ নিহত হয়েছে। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র বলছে, লেবানন এই যুদ্ধবিরতির অংশ নয়, কিন্তু ইরান বলছে এটি অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

ইরান চায় যুক্তরাষ্ট্র তাদের আটকে রাখা সম্পদ ছেড়ে দিক এবং বহু বছর ধরে অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিক। যুক্তরাষ্ট্র ইঙ্গিত দিয়েছে, তারা নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে পারে, তবে এর বিনিময়ে ইরানকে পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে ছাড় দিতে হবে।

ইরান চায় হরমুজ প্রণালীর ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ স্বীকৃতি দেয়া হোক, যেখানে তারা জাহাজ চলাচলে ফি নিতে ও প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র চায় কোনো সীমাবদ্ধতা বা টোল ছাড়াই তেলবাহী জাহাজসহ সব জাহাজ চলাচল করতে পারুক।

ইরান ছয় সপ্তাহের যুদ্ধে হওয়া সব ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র দু’জনই চায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হোক। কিন্তু ইরান বলছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার নিয়ে কোনো আলোচনা হবে না।

ইরান চায় অঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার করা হোক, সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করা হোক এবং আগ্রাসন না করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হোক। অন্যদিকে ট্রাম্প বলেছেন, শান্তি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি থাকবে এবং ইরান শর্ত না মানলে বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি আছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed