রাঙামাটিতে অগ্নি নিরাপত্তা জোরদারে সেনাবাহিনীর উদ্যোগ, ব্যবসায়ীদের মাঝে ২০টি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বিতরণ

রাঙামাটিতে অগ্নি নিরাপত্তা জোরদারে সেনাবাহিনীর উদ্যোগ, ব্যবসায়ীদের মাঝে ২০টি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বিতরণ

রাঙামাটিতে অগ্নি নিরাপত্তা জোরদারে সেনাবাহিনীর উদ্যোগ, ব্যবসায়ীদের মাঝে ২০টি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বিতরণ
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অঞ্চলে জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মানবিক ও সময়োপযোগী উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে স্থানীয়দের মাঝে।

সেনাবাহিনীর ৩০৫ পদাতিক ব্রিগেড ও রাঙামাটি রিজিয়ন এবং রাঙামাটি সদর জোনের পক্ষ থেকে ঘাগড়া বাজারে ২০টি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বিতরণ করা হয়েছে, যা বাজার এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৬) ঘাগড়া বাজার এলাকায় আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানে রাঙামাটি সদর জোন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ একরামুল রাহাত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের মাঝে হস্তান্তর করেন।

রাঙামাটিতে অগ্নি নিরাপত্তা জোরদারে সেনাবাহিনীর উদ্যোগ, ব্যবসায়ীদের মাঝে ২০টি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বিতরণ

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন, ঘাগড়া বাজার কমিটির সভাপতি শান্তি মনি চাকমা, সেক্রেটারি জিসু মনি চাকমা, ঘাগড়া বাজার সিএনজি সমিতির সেক্রেটারি রাসেল মিয়া, অকটারি, মন্দির, কিয়াং ঘর, টেক্সটাইল ও ফরেস্ট পোস্টের প্রতিনিধিবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বক্তারা বলেন, পাহাড়ি বাজারগুলোতে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে ছোট একটি অসাবধানতা বড় ধরনের দুর্ঘটনায় রূপ নিতে পারে। এ বাস্তবতায় সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগ শুধু সময়োপযোগীই নয়, বরং জননিরাপত্তা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রাঙামাটিতে অগ্নি নিরাপত্তা জোরদারে সেনাবাহিনীর উদ্যোগ, ব্যবসায়ীদের মাঝে ২০টি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বিতরণ

জোন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ একরামুল রাহাত বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুধু সীমান্ত ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নয়, বরং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষের নিরাপত্তা ও জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় অগ্নি নিরাপত্তা জোরদার করাও তাদের অগ্রাধিকারের অংশ। তিনি আরও জানান, যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা মোকাবেলায় স্থানীয় জনগণকে প্রস্তুত রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আগে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি থাকলেও তা মোকাবেলার মতো পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। এখন অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র হাতে পাওয়ায় তারা অনেকটাই স্বস্তি অনুভব করছেন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রসঙ্গত, পার্বত্য অঞ্চলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম স্থানীয়দের আস্থা বৃদ্ধি, নিরাপত্তা জোরদার এবং টেকসই সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed