মাটিরাঙ্গায় বাঙালি শ্রমিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করল ইউপিডিএফ

মাটিরাঙ্গায় বাঙালি শ্রমিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করল ইউপিডিএফ

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায়মাটিরাঙ্গায় বাঙালি শ্রমিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করল ইউপিডিএফমাটিরাঙ্গায় বাঙালি শ্রমিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করল ইউপিডিএফগুলি
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার যৌথখামার এলাকায় এক বাঙালি শ্রমিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাহাড়ের উপজাতিভিত্তিকে আঞ্চলিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)।

আজ রোববার (২১ জুন) বিচ্ছিন্নতাবাদী ওই সংগঠনটির প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগের দায়িত্বে থাকা নিরন চাকমা স্বাক্ষতি গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ইউপিডিএফের খাগড়াছড়ি ইউনিটের সংগঠক অংগ্য মারমা দাবি করেন, মাটিরাঙ্গায় সংঘটিত ওই ঘটনার সঙ্গে ইউপিডিএফের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই। একই সঙ্গে সাউথইস্ট এশিয়া জার্নালসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইউপিডিএফকে জড়িয়ে যে দাবি করা হয়েছে, সেটিকে অসত্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বিজ্ঞপ্তিতে অংগ্য মারমা অভিযোগ করেন, সংগঠনটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

ইউপিডিএফ নেতা অংগ্য মারমা মাটিরাঙ্গার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত ঘটনার তথ্য উদঘাটনের দাবি জানান। একইসঙ্গে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি যাচাই-বাছাই করে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান।

এর আগে, গতকাল রাতে মাটিরাঙ্গা উপজেলার যৌথখামার এলাকায় ইউপিডিএফের সশস্ত্র হামলার ঘটনায় বাঁশের গাড়ির শ্রমিক জাহাঙ্গীর আলম (৩৭) গুলিবিদ্ধ হন। তিনি মাটিরাঙ্গা উপজেলার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা।

ঘটনার পর স্থানীয় সূত্র, প্রত্যক্ষদর্শী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে সাউথইস্ট জার্নাল-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মোটরসাইকেলে করে আসা দুইজন সশস্ত্র ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা শ্রমিক জাহাঙ্গীর আলম গুলিবিদ্ধ হন।

ঘটনার বিষয়ে গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোহরাওয়ার্দী সেসময় সাউথইস্ট জার্নালকে জানিয়েছিলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

অন্যদিকে, ঘটনার পরপরই সেনাবাহিনীর একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে।

সাউথইস্ট জার্নালের বক্তব্য: মাটিরাঙ্গার গুলিবর্ষণের ঘটনায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে ব্যবহৃত তথ্য স্থানীয় সূত্র, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, ভুক্তভোগী পক্ষের তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেই প্রকাশ করা হয়েছিল। ইউপিডিএফের পক্ষ থেকে প্রেরিত সর্বশেষ প্রেস বিজ্ঞপ্তির বক্তব্যও জনস্বার্থে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হলো। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ওপরই নির্ভর করবে চূড়ান্ত সত্যতা।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed