পানছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএস সন্ত্রাসীদের ব্যাপক গোলাগুলি, ২৬ রাউন্ড খালি কার্টিজ উদ্ধার

পানছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএস সন্ত্রাসীদের ব্যাপক গোলাগুলি, ২৬ রাউন্ড খালি কার্টিজ উদ্ধার

পানছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএস সন্ত্রাসীদের ব্যাপক গোলাগুলি, ২৬ রাউন্ড খালি কার্টিজ উদ্ধার
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পানছড়ি উপজেলার বরকলক ও জ্যোতিষপাড়া এলাকায় পাহাড়ের আঞ্চলিক দুই সশস্ত্র সংগঠন সন্তু লারমার নেতত্বাধীন জেএসএস ও প্রসীত বিকাশ খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, উভয় পক্ষের মধ্যে আনুমানিক ৩৫০ থেকে ৩৬০ রাউন্ড গুলি বিনিময় হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউপিডিএফ পানছড়ি উপজেলা শাখার প্রধান সশস্ত্র কমান্ডার আইচুক ত্রিপুরার নেতৃত্বে আনুমানিক ৪০ থেকে ৪৫ জনের একটি সশস্ত্র দল এবং জেএসএস পানছড়ি উপজেলা শাখার প্রধান সশস্ত্র কমান্ডার চিনু মারমার নেতৃত্বে আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি সশস্ত্র দলের মধ্যে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

পানছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএস সন্ত্রাসীদের ব্যাপক গোলাগুলি, ২৬ রাউন্ড খালি কার্টিজ উদ্ধার

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গতকাল শুক্রবার রাতে দীর্ঘ সময় ধরে দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে পাল্টাপাল্টি গুলি চলে। গোলাগুলির বিকট শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটতে থাকেন।

ঘটনার পর ঘটনাস্থলের বিভিন্ন স্থান থেকে ২৬ রাউন্ড খালি কার্টিজ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে উদ্ধার হওয়া কার্টিজ কোন ধরনের অস্ত্রের, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

পানছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএস সন্ত্রাসীদের ব্যাপক গোলাগুলি, ২৬ রাউন্ড খালি কার্টিজ উদ্ধার

এদিকে, সংঘর্ষে দুইজন নিহত হওয়ার খবর স্থানীয়ভাবে ছড়িয়ে পড়লেও কোনো পক্ষ কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র সম্পর্কেও নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

পানছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএস সন্ত্রাসীদের ব্যাপক গোলাগুলি, ২৬ রাউন্ড খালি কার্টিজ উদ্ধার

প্রসঙ্গত, পার্বত্য চট্টগ্রামে সক্রিয় আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সময়ে সময়েই সংঘর্ষ, গোলাগুলি ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ; আতঙ্ক, ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা এবং স্বাভাবিক জনজীবনে বিরূপ প্রভাব প্রায়ই লক্ষ্য করা যায়।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *