যামিনীপাড়ায় ২০০ দরিদ্র কৃষক পরিবারের মাঝে বিজিবির কৃষি ও খামার সামগ্রী বিতরণ

যামিনীপাড়ায় ২০০ দরিদ্র কৃষক পরিবারের মাঝে বিজিবির কৃষি ও খামার সামগ্রী বিতরণ

যামিনীপাড়ায় ২০০ দরিদ্র কৃষক পরিবারের মাঝে বিজিবির কৃষি ও খামার সামগ্রী বিতরণ
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং পাহাড়ি-বাঙালি সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এরই ধারাবাহিকতায় বান্দরবানের সীমান্তবর্তী এলাকায় ২০০ দরিদ্র কৃষক পরিবারের মাঝে কৃষি ও খামার সামগ্রী বিতরণ করেছে যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়ন (২৩ বিজিবি)।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় তানাক্কাপাড়া বিওপির আওতাধীন হেলিপ্যাড প্রাঙ্গণে ‘সম্প্রীতি ও উন্নয়ন প্রকল্পের’ আওতায় এ কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়। যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের উপস্থিতিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তানাক্কাপাড়া, বান্দরসিং ও বি-টিলা এলাকার দরিদ্র কৃষক পরিবারগুলোর মাঝে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

May be an image of one or more people and crowd

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মোট ২০০টি পরিবারের মধ্যে ১৩০টি পাহাড়ি এবং ৭০টি বাঙালি কৃষক পরিবার রয়েছে। এসব পরিবারের মাঝে সর্বমোট দুই লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন কৃষি ও খামার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বিতরণ করা সামগ্রীর মধ্যে ছিল কীটনাশক স্প্রেয়ার মেশিন, কোদাল, বাঁশের টুকরি, উন্নত জাতের বীজ ও সার। পাশাপাশি হাঁস-মুরগি পালনের জন্য ড্রিংকার ও ফিডার পটও দেওয়া হয়। এসব কৃষি ও খামার সামগ্রী পেয়ে এলাকার প্রান্তিক কৃষক ও খামারিরা উপকৃত হওয়ার পাশাপাশি তাদের আয় ও উৎপাদন বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

May be an image of text

বিজিবির এ উদ্যোগে তানাক্কাপাড়া, বান্দরসিং ও বি-টিলা এলাকার প্রায় ৮০০ প্রান্তিক মানুষের জীবন-জীবিকায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় কৃষি ও খামারভিত্তিক কার্যক্রমকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের কল্যাণ ও জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন মানবিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *