আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষ, আহত বেড়ে ১২
![]()
নিউজ ডেস্ক
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরে রোববার (৩০ আগষ্ট) বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহত বেড়ে অন্তত ১২ জন হয়েছেন। এছাড়া তিনজন প্রতিপক্ষ গ্রুপের হাতে অপহরণের শিকার হয়েছেন।
কুতুপালং ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নেতা নুর বশর জানান, দীর্ঘদিন ধরে রেজিস্টার্ড ও আনরেজিস্টার্ড ক্যাম্পের দুই গ্রুপের মধ্যে চাঁদাবাজি, অপহরণ, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। গত বুধবার থেকে দফায় দফায় গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ রোববার লম্বাশিয়া মাস্টার মুন্না এবং হাফেজ জাবের ও সাইফু্র গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে মুন্না গ্রুপের পাঁচজন আহত এবং তিনজন অপহৃত হয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিক তাদের নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি৷ আহতদের কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে শনিবার (২৯ আগষ্ট) সংঘর্ষের ঘটনায় নারীসহ তিনজন আহত হয়েছে। এ সময় দায়ের কোপে আহত দুই নারীকে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর গুলিবিদ্ধ নুর আলমকে প্রথমে কক্সবাজার পরে চট্টগ্রাম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সে কুতুপালং টু-ইস্ট ক্যাম্পের আহমদ হোসেনের ছেলে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
১৪ এপিবিএন’র অধিনায়ক এসপি মো. আতিকুল ইসলাম জানান, কুতুপালং নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মুন্না গ্রুপের সঙ্গে অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইসলাম মাহাদ গ্রুপের মধ্যে ইয়াবা পাচার ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এরই জের ধরে শনিবার ফাঁকা গুলিবর্ষণের মাধ্যমে এটি প্রকাশ্যে রূপ নেয়। রোববারও থেমে থেমে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয়পক্ষের ২০টিরও বেশি ঝুঁপড়ি ঘর এবং বেশ কয়েকটি ওয়াটার সাপ্লাইয়ের ট্যাংক ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে এপিবিএনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দুই গ্রুপের সদস্যরা পালিয়ে যান। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।