১০ দিন পর ধ্বংসস্তূপে মিলল মুক্তার দেহাবশেষ, চেইন দেখে শনাক্ত করলেন স্বামী

১০ দিন পর ধ্বংসস্তূপে মিলল মুক্তার দেহাবশেষ, চেইন দেখে শনাক্ত করলেন স্বামী

“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

ডিএনএ পরীক্ষার পর নিহত ১০ জনের মরদেহ হস্তান্তর

জার্নাল প্রতিবেদক

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ১০ দিন পর নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার কঙ্কালসদৃশ দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। দেহাবশেষের সঙ্গে পাওয়া স্বর্ণের চেইন দেখে সেটি মুক্তার বলে শনাক্ত করেছেন তার স্বামী দেওয়ান ফয়সাল। তবে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে দেহাবশেষটির পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া এখনো বাকি।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের তল্লাশিতে রিসোর্টের পোড়া ধ্বংসস্তূপ থেকে দেহাবশেষটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় মুক্তার স্বামী দেওয়ান ফয়সালও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তা। গত ১০ দিন ধরে স্ত্রীকে ফিরে পাওয়ার আশায় অপেক্ষা করছিলেন তার স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা। অবশেষে পোড়া ধ্বংসস্তূপে দেহাবশেষ পাওয়ার পর স্বর্ণের চেইন দেখে সেটি মুক্তার বলে শনাক্ত করেন দেওয়ান ফয়সাল। তবে দেহাবশেষটি আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তার বলে নিশ্চিত হতে ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষা করতে হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

১০ দিন পর ধ্বংসস্তূপে মিলল মুক্তার দেহাবশেষ, চেইন দেখে শনাক্ত করলেন স্বামী

এদিকে ওই ঘটনায় নিহত ১০ জনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছে। তাদের মধ্যে ঢাকার দুটি পরিবারের চার ও ছয় সদস্য রয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান এবং পুলিশ সুপার সাজেদুর রহমান উপস্থিত থেকে স্বজনদের মরদেহ হস্তান্তর করেন।

এসময় জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, ডিএনএ পরীক্ষা ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে ১০ জনের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এবং সরকারি তহবিল থেকে পরিবারপ্রতি ৫০ হাজার টাকা করে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া, অনুমোদনহীন রিসোর্ট উচ্ছেদে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed