বিজিবির রাঙামাটি সেক্টরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত

বিজিবির রাঙামাটি সেক্টরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত

বিজিবির রাঙামাটি সেক্টরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র রাঙামাটি সেক্টরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার দুপুরে সেক্টর সদর দপ্তরে এ প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, প্রশাসনিক প্রতিনিধিসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্রীতিভোজের আগে অতিথিদের স্বাগত জানান বিজিবি রাঙামাটি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আহসান হাবীব।

এ সময় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কেটে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের জেলা জজ মাহবুব আলম, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আতিয়ার রহমান এবং জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ মারুফ উপস্থিত ছিলেন।

বিজিবির রাঙামাটি সেক্টরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত

অনুষ্ঠানের পূর্বে সেক্টরের কার্যক্রম, সীমান্ত নিরাপত্তা ও উন্নয়নমূলক দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর মারিশ্যা ও কাপ্তাই—এই দুই ব্যাটালিয়ন নিয়ে তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস বর্তমানে বিজিবি রাঙামাটি সেক্টরের যাত্রা শুরু হয়। পরে ১৯৭৯ সালে বরকলে একটি ব্যাটালিয়ন সংযুক্ত হয়। ১৯৯৪ সালে সেক্টর সদর দপ্তর রিজার্ভ বাজার এলাকা থেকে ঝগড়ার বিল এলাকায় স্থানান্তরিত হয়। ১৯৮৮ সালে ছোটহরিণা এবং ১৯৯৪ সালে রাজনগরে আরও দুটি ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠার পর অত্র সেক্টরের আওতায় বর্তমানে ১৯, ২২, ২৫ ও ৩৭ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন সীমান্ত নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করছে।

প্রসঙ্গত, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও সীমান্ত নিরাপত্তা বজায় রাখতে বিজিবির এই সেক্টর দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

You may have missed