বিডিআর বিদ্রোহের ন্যায়বিচারে হচ্ছে স্বাধীন তদন্ত কমিশন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিডিআর বিদ্রোহের ন্যায়বিচারে হচ্ছে স্বাধীন তদন্ত কমিশন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিডিআর বিদ্রোহের ন্যায়বিচারে হচ্ছে স্বাধীন তদন্ত কমিশন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

পিলখানা বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি নতুন ও শক্তিশালী তদন্ত কমিশন গঠন করার ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি জানিয়েছেন, এই কলঙ্কজনক ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ পুনঃতদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়েছিল–বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে আগের গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিশন যে প্রতিবেদন দিয়েছিল, সরকার তা বাস্তবায়ন করবে কি না। উত্তরে তিনি বলেন, ‘এটার জন্য আমরা আরেকটা তদন্ত কমিশন গঠন করার কথা বলেছি। আমাদের প্রতিশ্রুতি আছে, আমাদের ইশতেহারের মধ্যেও আছে যে আমরা বিডিআরের ঘটনাটা পুঙ্খানুপুঙ্খ পুনঃতদন্ত করব অথবা একটা কমিশন গঠন করে কমিশনের রিপোর্ট অনুসারে কাজ করব।’

তিনি বলেন, ‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আপাতত এইটুকুই বলি কারণ বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং বিস্তারিত কাজ করার সুযোগ রয়েছে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিগত ১৫ বছরে প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংস্কার করে পুনরায় কার্যকর করার চেষ্টা চলছে। বিডিআর বিদ্রোহের মতো ঘটনার স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

বাংলাদেশে আর কোনো ‘মব কালচার’ (গণপিটুনি বা বিশৃঙ্খলা) বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানিয়েছেন, দাবি আদায়ের নামে মহাসড়ক বা সড়ক অবরোধ করার দিন শেষ। এখন থেকে যে কোনো দাবি আইনানুগ ও বৈধ পন্থায় উপস্থাপন করতে হবে, অন্যথায় সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

পুলিশের চেইন অব কমান্ড ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের সময় লটারির মাধ্যমে ওসি ও এসপি নিয়োগের যে বিতর্কিত প্রক্রিয়া ছিল, তা বাতিল করা হয়েছে। এখন থেকে প্রার্থীর সার্ভিস রেকর্ড, দক্ষতা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে পদায়ন হবে।

তিনি বলেন, ‘লটারির মাধ্যমে নিয়োগ স্বচ্ছ ছিল না। এখন থেকে পুলিশ বিভাগ যাকে দক্ষ মনে করবে, তাকেই উপযুক্ত স্থানে পদায়ন করা হবে।’ এ ছাড়া জেলা পুলিশ সুপারদের (এসপি) পলিটিক্যাল প্রটোকল না দেয়ার এবং কেবল বিধিবদ্ধ প্রটোকল অনুসরণের নির্দেশ দেন তিনি।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।