পার্বত্য জনগোষ্ঠীর উৎসবে ছুটির দাবিতে ঢাবি উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি সর্বমিত্র চাকমার
![]()
নিউজ ডেস্ক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডারে পার্বত্য জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসবগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে ছুটি ঘোষণার দাবিতে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন ডাকসুর এক কার্যনির্বাহী সদস্য।
মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) উপাচার্য বরাবর দেওয়া স্মারকলিপিতে কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা দাবি জানান, দেশের বহু জাতিসত্তার অন্যতম প্রধান উৎসব—বিঝু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিহু প্রভৃতি উদযাপনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিক ছুটি ঘোষণা করা হোক।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ বহু জাতি, ভাষা ও সংস্কৃতির সমন্বয়ে গঠিত একটি রাষ্ট্র। তবে বাস্তবে বাংলা নববর্ষকে ছুটির আওতায় আনা হলেও চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যাসহ পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসবগুলো এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
এতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করলেও ক্লাস, পরীক্ষা ও ল্যাবের কারণে তারা প্রতিবছর নিজেদের প্রধান সামাজিক উৎসব যথাযথভাবে পালন করতে পারেন না। অথচ এসব উৎসব তাদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রের দায়িত্ব নাগরিকদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। কিন্তু পার্বত্য জনগোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ এই উৎসবগুলোর ক্ষেত্রে তা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে না বলে অভিযোগ করা হয়।
এ প্রেক্ষিতে উপাচার্যের কাছে দুটি দাবি উত্থাপন করা হয়— প্রথমত, আগামী ১২ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রেখে সার্বজনীন ছুটি ঘোষণা;
দ্বিতীয়ত, বিঝু, সাংগ্রাই, বৈসু ও বিহু উৎসব উপলক্ষে উক্ত সময়কে একাডেমিক ক্যালেন্ডারে নিয়মিত ছুটি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা।
স্মারকলিপিতে আশা প্রকাশ করা হয়, দেশের প্রাচীনতম ও গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যাপীঠ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পার্বত্য জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও উৎসবের যথাযথ স্বীকৃতি প্রদানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।