মৈত্রী পানি বর্ষণ আর সাংস্কৃতিক আয়োজনে বান্দরবানে সাংগ্রাই উৎসবে মাতোয়ারা মারমা সম্প্রদায়

মৈত্রী পানি বর্ষণ আর সাংস্কৃতিক আয়োজনে বান্দরবানে সাংগ্রাই উৎসবে মাতোয়ারা মারমা সম্প্রদায়

মৈত্রী পানি বর্ষণ আর সাংস্কৃতিক আনিজেকে ‘উপজাতি’ হিসেবে পরিচয় দিলেন পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানয়োজনে বান্দরবানে সাংগ্রাই উৎসবে মাতোয়ারা মারমা সম্প্রদায়
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

বান্দরবানে মৈত্রী পানি বর্ষণ, বর্ণিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নানা আয়োজনে মারমা সম্প্রদায়ের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক উৎসব সাংগ্রাইয়ে মাতোয়ারা হয়ে উঠেছে পাহাড়ি জনপদ।

গত ১৩ এপ্রিল বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সপ্তাহব্যাপী এ উৎসবের ধারাবাহিকতায় আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে রাজার মাঠে অনুষ্ঠিত হয় বহুল প্রতীক্ষিত মৈত্রী পানি বর্ষণ অনুষ্ঠান।

মৈত্রী পানি বর্ষণ আর সাংস্কৃতিক আয়োজনে বান্দরবানে সাংগ্রাই উৎসবে মাতোয়ারা মারমা সম্প্রদায়

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মৈত্রী পানি বর্ষণের উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, এমপি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য এলাকার সংস্কৃতি, উৎসব ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশে সরকার কাজ করে যাচ্ছে এবং এ ধরনের আয়োজন পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

মৈত্রী পানি বর্ষণ আর সাংস্কৃতিক আয়োজনে বান্দরবানে সাংগ্রাই উৎসবে মাতোয়ারা মারমা সম্প্রদায়

এসময় উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু, জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস, পুলিশ সুপার মো. আবদুর রহমান, উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি চ থুই প্রুসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, ক্রীড়াপ্রেমী এবং বিভিন্ন পাড়ার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বাসিন্দারা।

মৈত্রী পানি বর্ষণ অনুষ্ঠানে শিশু থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণী ও বয়োজ্যেষ্ঠরা একে অপরের গায়ে পানি ছিটিয়ে পুরাতন বছরের গ্লানি মুছে ফেলে নতুন বছরকে বরণ করে নেন। আনন্দ-উচ্ছ্বাসে ভরপুর এ আয়োজনে অংশ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকরাও উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করেন।

মৈত্রী পানি বর্ষণ আর সাংস্কৃতিক আয়োজনে বান্দরবানে সাংগ্রাই উৎসবে মাতোয়ারা মারমা সম্প্রদায়

এদিন রাজার মাঠে আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে পার্বত্য চট্টগ্রামের ১১টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিল্পীরা নিজ নিজ ভাষায় সংগীত পরিবেশন ও ঐতিহ্যবাহী নৃত্য উপস্থাপন করেন। এতে উৎসবের বৈচিত্র্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সমন্বিত চিত্র ফুটে ওঠে।

উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি চ থুই প্রু বলেন, শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর পরিবেশে সাংগ্রাই উৎসব আয়োজন করতে পেরে তারা আনন্দিত এবং এ জন্য প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

প্রসঙ্গত, আগামী ১৬ এপ্রিল বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে বান্দরবানে মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী সাংগ্রাই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।