ইউএন অধিবেশনে বিভ্রান্তিমূলক ও অসত্য তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগ, রাঙামাটিতে পিসিসিপির বিক্ষোভ

ইউএন অধিবেশনে বিভ্রান্তিমূলক ও অসত্য তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগ, রাঙামাটিতে পিসিসিপির বিক্ষোভ

ইউএন অধিবেশনে বিভ্রান্তিমূলক ও অসত্য তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগ, রাঙামাটিতে পিসিসিপির বিক্ষোভ
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

জাতিসংঘের UNPFII 25th Session-এ বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগে রাঙামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রামে ছাত্র পরিষদ-পিসিসিপির আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর শহরের কাঠালতলী এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বনরূপা এলাকায় গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সমাবেশে বক্তব্য দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. হাবীব আজম, রাঙামাটি জেলা সভাপতি তাজুল ইসলাম তাজ, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবিরসহ অন্যান্য নেতারা।

বক্তারা অভিযোগ করেন, জাতিসংঘের ওই অধিবেশনে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে।

ইউএন অধিবেশনে বিভ্রান্তিমূলক ও অসত্য তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগ, রাঙামাটিতে পিসিসিপির বিক্ষোভ

তারা বলেন, পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য শান্তি চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের আগে আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোর হাতে থাকা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে।

এছাড়া বক্তারা ভূমি কমিশনে বাঙ্গালি প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে বৈষম্যহীন কাঠামো গঠন, ২০১৬ সালের সংশোধিত বিতর্কিত ধারাসমূহ বাতিল এবং নিরপেক্ষভাবে ভূমি জরিপ সম্পন্ন করার দাবি জানান।

সমাবেশে আরও অভিযোগ করা হয়, ইউপিডিএফ-জেএসএস পাহাড়ে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহার করে পাহাড়ে উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। একইসঙ্গে আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ তুলে এসব কার্যক্রম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

পিসিসিপির সাধারণ সম্পাদক মো. হাবীব আজম বলেন, জেএসএস সভাপতি সন্তু লারমা সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা নিয়ে তার আত্মীয় স্বজনদের দিয়ে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তার দল জেএসএস অবৈধ অস্ত্র দিয়ে পাহাড়ের পাহাড়ি- বাঙালি সব জাতিগোষ্ঠিকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে। চাদাবাজি ও অবৈধ অস্ত্রের কারনে পাহাড়ে মানবাধিকার ক্ষুন্ন হচ্ছে। মানুষ তাদের কাছ থেকে মুক্তি চায়।

বক্তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যারা আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে মিথ্যাচার করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed