কাপ্তাই হ্রদে অবৈধ মাছ শিকারের বিরুদ্ধে অভিযান, ১০ নৌকা ও ৬ হাজার বর্গফুট কারেন্ট জাল জব্দ
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
মাছের প্রজনন মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধভাবে মাছ আহরণের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ১০টি নৌকা ও প্রায় ৬ হাজার বর্গফুট কারেন্ট জাল জব্দ করেছে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)। তবে অভিযানের খবর পেয়ে মাছ শিকারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
রোববার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) রাঙামাটি কেন্দ্রের আওতাধীন লংগদু উপকেন্দ্র এবং নৌ-পুলিশের যৌথ উদ্যোগে গাঁথাছড়া, গুলশাখালী, কালাপাকুজ্জ্বা, মালাদ্বীপ, আমতলী, মাহিল্লা ও চূড়াখালী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিএফডিসি সূত্র জানায়, দেশীয় মাছের প্রজনন, মা মাছের নিরাপদে ডিম ছাড়ার সুযোগ সৃষ্টি এবং পোনা মাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকার নির্ধারিত সময় পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে সব ধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ রয়েছে। কিন্তু গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, একদল জেলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হ্রদে মাছ শিকার করছে। পরে ওই তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান চালানো হয়।
অভিযান চলাকালে টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে জেলেরা মাছ ধরার সরঞ্জাম ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত ১০টি ছোট নৌকা এবং প্রায় ৬ হাজার বর্গফুট কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত আলামত বিএফডিসির লংগদু উপকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
লংগদু উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল-আমিন বলেন, কাপ্তাই হ্রদের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় প্রজনন মৌসুমে টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। নিষিদ্ধ সময়ে কেউ সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অবৈধভাবে মাছ আহরণ করলে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, কাপ্তাই হ্রদের জীববৈচিত্র্য, দেশীয় মাছের উৎপাদন এবং মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের যৌথ অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।