দুর্গম পাহাড়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মাঝে সেনাবাহিনীর জনকল্যাণমূলক সামগ্রী বিতরণ

দুর্গম পাহাড়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মাঝে সেনাবাহিনীর জনকল্যাণমূলক সামগ্রী বিতরণ

দুর্গম পাহাড়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মাঝে সেনাবাহিনীর জনকল্যাণমূলক সামগ্রী বিতরণ
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম সীমান্তবর্তী বিভিন্ন পাহাড়ি পাড়ায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মাঝে জনকল্যাণমূলক সামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা দুইটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন চালু রেখে দুর্গম অঞ্চলে শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার উদ্যোগও অব্যাহত রেখেছে সেনাবাহিনী।

সম্প্রতি সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি’র পরিদর্শনকালে অনুমোদিত চাহিদার ভিত্তিতে উপজেলার সুংসাংপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন থিংদলতে ত্ল্যাং টিওবির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার জারুলছড়ি পাড়া, সাস্বত পাড়া, হাতিছড়া পাড়া, ক্রেসপাই পাড়া এবং আরিফ পাড়ার বাসিন্দাদের মাঝে এসব সহায়তা বিতরণ করা হয়।

দুর্গম পাহাড়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মাঝে সেনাবাহিনীর জনকল্যাণমূলক সামগ্রী বিতরণ

বিতরণ করা সামগ্রীর মধ্যে ছিল সাউন্ড বক্স, সোলার লাইট, সোলার প্যানেল, ব্যাটারি, বসতবাড়ি নির্মানের জন্য ঢেউ টিন, সুপেয় পানি সংগ্রহের জন্য পাইপ এবং ১ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার তিনটি পানির ট্যাংক।

সেনাবাহিনী জানায়, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সহায়তা নিশ্চিত করতেই এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা সহজ হওয়ার পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানি সংরক্ষণ, বিদ্যুৎ সুবিধা, বসতবাড়ি নির্মান এবং সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এছাড়া জারুলছড়ি পাড়া ও আরিফ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন চালু রাখার মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এর ফলে দুর্গম এলাকার শিশুদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে ফিরে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে।

দুর্গম পাহাড়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মাঝে সেনাবাহিনীর জনকল্যাণমূলক সামগ্রী বিতরণ

১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার, প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সহায়তা প্রদান এবং পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক আস্থা সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দুর্গম এলাকায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে এবং মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে এ ধরনের কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *