জেলা পরিষদে ৯৩ শতাংশ মেধাভিত্তিক নিয়োগ বাস্তবায়নের দাবিতে রাঙামাটিতে সংবাদ সম্মেলন

জেলা পরিষদে ৯৩ শতাংশ মেধাভিত্তিক নিয়োগ বাস্তবায়নের দাবিতে রাঙামাটিতে সংবাদ সম্মেলন

জেলা পরিষদে ৯৩ শতাংশ মেধাভিত্তিক নিয়োগ বাস্তবায়নের দাবিতে রাঙামাটিতে সংবাদ সম্মেলন
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও আইন মন্ত্রণালয়ের দেওয়া ব্যাখ্যার আলোকে পার্বত্য জেলা পরিষদে স্থগিত নিয়োগ কার্যক্রম ৯৩ শতাংশ মেধাভিত্তিক নীতিমালার ভিত্তিতে দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে রাঙামাটিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার সকালে রাঙামাটি শহরের একটি রেস্টুরেন্টে রাঙামাটি কোটা বিরোধী ঐক্যজোট-এর ব্যানারে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মতামত অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি কোটা বিরোধী ঐক্যজোটের আহ্বায়ক মোহাম্মদ জনি, সদস্য সচিব মো. নুরুল আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফজলে রাব্বী, জান্নাতুল ফেরদৌসসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা।

লিখিত বক্তব্যে বক্তারা বলেন, পার্বত্য জেলা পরিষদ গঠনের পর থেকে নিয়োগে ‘অগ্রাধিকার’ শব্দের ব্যাখ্যার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে ৬৭ শতাংশ উপজাতি ও ৩৩ শতাংশ বাঙালি কোটা অনুসরণ করা হয়েছে, যা নিয়োগ ব্যবস্থায় বৈষম্য সৃষ্টি করেছে বলে তারা দাবি করেন। এ বৈষম্যের বিরুদ্ধে রাঙামাটি কোটা বিরোধী ঐক্যজোট ছয় দফা দাবি নিয়ে ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে আসছে।

তারা আরও বলেন, ২০২৪ সালের ২৩ জুলাই জারি করা সরকারি প্রজ্ঞাপনের আলোকে এবং চলতি বছরের ৭ জুলাই পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও আইন মন্ত্রণালয়ের দেওয়া ব্যাখ্যায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, দেশের অন্যান্য সরকারি নিয়োগের মতো পার্বত্য জেলা পরিষদেও ৯৩ শতাংশ মেধা এবং ৭ শতাংশ কোটা নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে। সে অনুযায়ী স্থগিত নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানান তারা।

বক্তাদের ভাষ্য, সরকারের আইনি ব্যাখ্যায় এতদিন অনুসরণ করা ৬৭ শতাংশ ও ৩৩ শতাংশ কোটা ব্যবস্থা আইনসম্মত নয় বলে স্পষ্ট হয়েছে। ফলে এখন মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করাই সময়ের দাবি।

এ সময় নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করতে কয়েকটি সুপারিশও তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে— কেন্দ্রীয়ভাবে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত সরকারি ট্রেজারিতে প্রশ্নপত্র সংরক্ষণ, নিয়োগে নিরপেক্ষতা ও স্বজনপ্রীতিমুক্ত ফলাফল নিশ্চিত করা, উপজেলাভিত্তিক কোটার সুস্পষ্ট বিন্যাস এবং চূড়ান্ত ফল প্রকাশের সময় নির্বাচিত প্রার্থীদের রোল নম্বরের পাশাপাশি নাম-ঠিকানা প্রকাশ করা।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর ব্যাখ্যা পাওয়ার পরও যদি জেলা পরিষদ নিয়োগ কার্যক্রমে অযথা বিলম্ব বা টালবাহানা করে, তাহলে রাঙামাটি কোটা বিরোধী ঐক্যজোট পাহাড়ের ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।

তবে এ দাবিগুলো সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সংগঠনের নেতাদের বক্তব্য। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পার্বত্য জেলা পরিষদ বা সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *